ঢাকা: পরিবহন খাতে দেশীয় মোটর সাইকেলে ২৫ শতাংশ শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে শুল্কহার হচ্ছে ৪৫ শতাংশ, তা থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে শুল্ক দাঁড়াবে ২০ শতাংশ। এতে মোটর সাইকেলের দাম কমবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ প্রস্তাব করেন।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পরিবহন খাতের মধ্যে মোটর সাইকেল সংযোজন শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ উপ-খাত। প্রগতিশীল উৎপাদনের মাধ্যমে পশ্চাৎমুখী সংযোগ ঘটিয়ে এ খাতকে অনেক দূর এগিয়ে নেয়া সম্ভব। এ সম্ভাবনার পথে সিকেডি মোটর সাইকেলে বিদ্যমান ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাধা হিসেবে বিবেচিত।
মন্ত্রী বলেন, ‘এসব বিবেচনায় কতিপয় শর্তসাপেক্ষে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে করে দু’বছরের জন্য ২০ শতাংশে ধার্য করার প্রস্তাব করছি।’
একইসঙ্গে পরবর্তী সময়ে স্থানীয়ভাবে প্রগতিশীল হারে যন্ত্রাংশ উৎপাদন সাপেক্ষে হ্রাসকৃত শুল্কহারে অন্যান্য যন্ত্রাংশ আমদানি করে দেশে উন্নতমানের মোটর সাইকেল উৎপাদনের লক্ষ্যে রেয়াতি শুল্ক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে ।
একই বিবেচনায় হিউম্যান হলারের প্রস্তুত বা উৎপাদন পর্যায় বিবেচনায় বিভিন্ন পর্যায়ে রেয়াতি হারে শুল্ক-কর পুনর্বিন্যাস এবং এলপিজি রোড ট্যাংকারকে মূলধনী পণ্য হিসাবে এতে মূলধনী পণ্যের রেয়াতি হারে শুল্কায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। হিউম্যান হলারের উপর বর্তমানে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক, ৩০শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বিদ্যমান রয়েছে। পণ্যটির জন্য পৃথক এইচ.এস.কোড সৃষ্টি করে প্রজ্ঞাপনের অধীনে শর্তসাপেক্ষে রেয়াতি সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
তাছাড়া, জ্বালানি ব্যয় সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব বিধায় হাইব্রিড গাড়ির সিসি-ভিত্তিক সম্পূরক শুল্ক কিছুটা হ্রাসপূর্বক পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে হাইব্রিড মাইক্রোবাসের ২৫০০ সি.সি. পর্যন্ত আমদানির ক্ষেত্রে রেয়াতি সুবিধা প্রযোজ্য। প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরকারের পাশাপাশি অন্যান্য হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে এবং হাইব্রিড মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রেও সিসি ভিত্তিক রেয়াতি সুবিধা প্রদানপূর্বক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।