• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কুড়িগ্রামে ব্যালট বাক্সসহ ৩ শিক্ষক আটক

আটককুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নে ৫ম ধাপের নির্বাচন শেষ হওয়ার ১২ দিন পর একটি খালি ব্যালটবাক্স সহ ৩ শিক্ষককে আটক করে স্থানীয় জনতা পুলিশে সোপর্দ করেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই ইউপি’র গেন্দার আলগা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান চেয়ারম্যান প্রার্থী তার বেয়াই আব্দুল বাতেনকে জেতানোর জন্য দায়িত্বরত প্রিসাইডিং অফিসারকে ম্যানেজ করে সিলমারা ব্যালটসহ ওই বাক্সটি অন্য রুমে গোপন করে রাখে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে, গোপনে ওই বিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষক ঘঙ-১৯১০২০ ব্যালট বাক্সটি লুঙ্গি দিয়ে পেছিয়ে সাহেবের আলগা নৌ ঘাটে আসলে স্থানীয় লোকজন তাদের চ্যালেঞ্চ করে। এসময় তারা লুঙ্গির ভিতর কী আছে তা দেখাতে অস্বীকার করলে তাদের সাথে বচসা শুরু হয়। এক পর্যায়ে লোকজন জোর পূর্বক ব্যালট বাক্সসহ ওই ৩ শিক্ষককে আটক করে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে। পরে দীর্ঘ দেন-দরবারের পর ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত এস.আই হারুন-অর রশিদ মোটা অংকের টাকা নিয়ে রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হকের মুচলেকায় তাদের ছেড়ে দেয়।

অভিযুক্তরা হচ্ছেন, সিরাজুল ইসলাম মুন্সি, মুকুল বিএসসি ও আমজাদ হোসেন এমএসসি। এদিকে, খোঁয়া যাওয়া ব্যালট বাক্সের ব্যাপারে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি কিংবা সংশ্লিষ্ট থানায় কোন অভিযোগ বা জিডি লিপিবদ্ধ না করায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রির্টানিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসারের পরামর্শে ওই বাক্সটিতে থাকা সিলমারা ব্যালট পেপার ধ্বংস করে দিয়ে প্রধান শিক্ষক বাক্সটি তার হেফাজতে রাখেন।

সংশ্লিষ্ট রির্টানিং অফিসার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যালট বাক্স আটকের ঘটনা স্বীকার করলেও নির্বাচনের ১২ দিন পর ভোট কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স কেন, এমন প্রশ্নের সদুত্তর দেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ