• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আলু খেয়ে রোজা রাখছেন শরণার্থীরা

আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক ডেস্ক: নিয়মিত আলু সিদ্ধ খেয়ে রমজান পালন করছেন গ্রিসের শরণার্থীরা। তাদের ইফতার আর সেহরিতে আলু ছাড়া আর কিছুই নেই। এমনকি যে পানিটা তারা পান করছেন সেটাও বাথরুমের লাইন থেকে সংগ্রহ করা।

এথেন্সের স্কিচটো ক্যাম্প ঘুরে শুক্রবারে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। গ্রিসে আটকে পড়া ৪৫ হাজার শরণার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭শ’ জনকে এখানে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিবেদনটি। এদের মধ্যে ৭শ’ ব্যক্তি নিয়মিত রোজা রাখছেন বলে জানিয়েছে স্কিচটো ক্যাম্পের নারী শরণার্থী শাহনাজ সাদাত।

তিনি বলেন, ‘প্রতি রাতে শুধু আলু খেয়েই সেহরি করতে হয়। সন্ধ্যার ইফতারেও থাকে শুধু সেদ্ধ আলু। কয়েকমাস ধরে শুধু আলু খেতে খেতে ক্লান্ত হয়ে গেছি আমরা। আর খেতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই খাবার খেয়ে বেঁচে থাকাই কষ্ট। রোজা করা আরো কষ্টকর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের জন্য অমানবিক হয়ে যাচ্ছে।’

এদিকে গ্রিস সরকারের এক মুখপাত্র জানায়, ‘এ বছরের ফেব্রুয়ারি হঠ্যাৎ করেই বলকান রাষ্ট্রগুলো সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। এ কারণেই শরণার্থীরা আটকা পড়ে গ্রিসে। অধিকাংশ শরণার্থীরাই আগানিস্তান থেকে এসেছে। পরিকল্পনা ছাড়া এতো শরণার্থীর চাপ সামলাতে সরকারও হিমশিম খাচ্ছে। তবে তাদের পর্যাপ্ত সুবিধা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

শরণার্থীদের খাবারের ব্যাপারে তিনি এএফপিকে বলেন, ‘শিম, আলু সিদ্ধ, ডিম সিদ্ধ, পাস্তা, মুরগি, ভাত এবং ডাল খেতে দেয়া হচ্ছে তাদের।’ এদিকে রমজানের ব্যাপারে ক্যাম্পটির সুপারভাইজার পানাজিওতিস বলেন, ‘সন্ধ্যায় একবারে সেহরি এবং ইফতার দিয়ে দেয়া হয় তাদের।’

অন্যদিকে সাধ্যের বাইরেও থাকার পরিবেশ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন চারমাসের গর্ভবতী শাহনাজ। তিনি বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমে সারাদিন তাঁবুতে থাকাটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’ আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে পাস করা বিজনেস গ্র্যাজুয়েট মোহাম্মদ মাহাদী বলেন, ‘বাড়ির মতো তো আর সুযোগ-সুবিধা আশা করি না এখানে। তবে সব কিছুই প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ