• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টা ব্যর্থ

turkeyy_42030আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছে। তবে তা সম্মিলিত চেষ্টায় ব্যর্থ করে দেয়া হয়েছে। সরকার আবার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। সামরিক বাহিনীর একটি অংশ দাবি করেছে, তারা দেশের সব নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। তারা সারা দেশে সামরিক আইন কারফিউ জারি করেছে।
পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে গোলাবর্ষণও করেছে। তারা সেনাপ্রধান হুলসি আকারকে পণবন্দি করেছে বলে আনাদুলু এজেন্সি জানিয়েছে। রাজধানী আঙ্কারার আকাশে সামরিক বিমান উড়ার শব্দও শোনা গেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, যেসব সৈন্য সামরিক অভ্যুত্থানচেষ্টার সাথে জড়িত ছিল তাদের বেশির ভাগকে আটক করা হয়েছে।
তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টা ব্যর্থ

তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়িলদিরিম শুক্রবার রাতে জানান, তুরস্ক সেনাবাহিনীর একটি গ্রুপ দৃশ্যত ক্যু করার চেষ্টা করেছিল। তিনি বিস্তারিত বিবরণ দেননি। তবে জানিয়েছেন, গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার কোনো চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
বিমানবন্দরের বাইরে সামরিক ট্যাংক মোতায়েন করা এরদোগানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে একদল সমর্থক ইস্তাম্বুলের তাকসিম স্কোয়ারে জড়ো হয়েছেন। সেখানেও সংঘর্ষ হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
বসফরাস নদীর দুইপাশেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে এবং ইস্তানবুলের ফেইথ সুলতান মেহমেত ব্রিজটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি সূত্র রয়টার্সকে বলেছে, সবকিছু দেখে এটা একটি পরিকল্পিত অভ্যুত্থান বলেই মনে হচ্ছে। কারণ তারা সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়েছে। খুব সহজে এর শেষ হবে বলে মনে হচ্ছে না ।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের দৃঢ় আহবানে সমগ্র তুরস্কের রাস্তায় জাতীয় পতাকা নিয়ে কোটি মানুষ এ সেনাবাহিনী ক্যুর বিরুদ্ধে নেমে আসে। পাশাপাশি তিনি বিপথগামী সেনাবাহিনীর সদস্যদের কঠোর শাস্তি দেয়ার ঘোষণা করেন। সে সময় তিনি বলেন জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি যেদিক থেকেই আসছে তা কঠোর ভাবে মোকাবিলা করা হবে। এতে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।
তুর্কি ১নং রেজিমেন্টের সেনা প্রধানও ঘোষণা করেন তিনি সেনাবাহিনীর এ ক্যু সমর্থন করেন না। এরপরই ক্যু সেনারা ইস্তাম্বুল ও আংকারা বিমানবন্দর ঘেরাও থেকে ফিরে আসতে শুরু করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ