• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডোমার উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের ৯ পদ শূন্য

নীলফামারীনীলফামারী প্রতিনিধিঃ জেলার ডোমার উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে ১৯ টি পদের বিপরীতে ৯ টি পদ বছরের পর বছর ধরেই শূন্য রয়েছে। এ কার্যালয়ের কর্মরত ১০ জনের মধ্যে আবার ২ জন প্রতিবন্ধী রয়েছেন। শূন্য পদের মধ্যে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী, হিসাব রক্ষক, সহকারী হিসাব রক্ষক, ড্রাফট ম্যান, কমিউনিটি অর্গানাইজার, ইলেকট্রিশিয়ান, সহকারী কম্পিউটার অপারেটরের মত গুরত্বপূর্ণ পদগুলি রয়েছে। ২ টি এমএলএসএস পদের বিপরীতে ১ জন কর্মরত থাকলেও তিনি প্রতিবন্ধী। অপরদিকে ৪ জন কার্যসহকারী’র মধ্যে রয়েছে ১ জন প্রতিবন্দী। যাদেরকে দিয়ে কোন কাজ করানো যায় না বলে কার্যালয় সুত্র জানায়। কার্যালয়ের হিসাব বিভাগের কোন কর্মকর্তা না থাকায় এ বিভাগটি এক প্রকারে বন্ধই রয়েছে। অবসরে যাওয়া হিসাব বিভাগের কর্মকর্তাদের সহায়তায় কোনমতে কাজ চালানো হচ্ছে মাত্র। সব মিলিয়ে মাত্র ১০ জন কর্মকর্তা দিয়ে চলছে অফিসের কার্যক্রম। উপজেলা প্রকৌশলী তার কার্যালয়ের কর্মরত ২ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ৩ জন কার্য সহকারী দ্বারা কোনমতে অফিসের কার্যক্রম চালাচ্ছেন। উপজেলা প্রকৌশলী ও গুটি কয়েক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা এভাবে অফিস চালানোর ফলে ভেঙ্গে পড়েছে উপজেলার সকল ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম। সময়মতো কোন কাজই শেষ করা সম্ভব না হওয়ায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ। সেই সাথে বাড়ছে নির্মান প্রকল্পের ব্যায়। এর ফলে সরকারকে গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। বছরের পর বছর ধরে এসব পদে কেউ যোগদান করেনি। এর ফলে জনবল সংকটের কারণে ডোমার উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে উপজেলাবাসী তাদের কাংখিত সেবা হতে। জনবল সংকটের কারনে এ কার্যালয়ের অধীনে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে শম্বুক গতিতে। প্রকৌশলীর কার্যালয়ের এ সকল গুরত্বপূর্ণ পদ বচরের পর বছর ধরে শূন্য থাকায় দৈনন্দিন কাজ মারাত্মক ব্যাহৃত হচ্ছে। এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান জানান, জনবল সংকটের কারনে কোন কাজই সময়মতো শেষ করা যাচ্ছে না। একজনকেই সকল দিকে নজর রাখতে হচ্ছে বিষয়টি বার বার উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানানো হলেও কোন কাজ হচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ