আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, গুলশানে হামলার পর সেখান থেকে জঙ্গিরা মারজানের কাছে ছবি ও তথ্য পাঠিয়েছে। তার সাংগঠনিক নাম মারজান। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক এবং তিনি ঢাকাতেই রয়েছেন। তার একটি ছবি পাওয়া গেছে, সেই ছবি নিয়ে তদন্ত চলছে।
অপর এক প্রশ্নে তিনি বলেন, তামিম চৌধুরী এবং সৈয়দ জিয়াউল হক দেশের ভেতর আছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে সহসাই তামিম ও জিয়াকে গ্রেফতার করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
হাসনাত ও তহমিদের প্রসঙ্গ তুলে মনিরুল ইসলাম বলেন, এ দু’জনের রিমান্ড শনিবার শেষ হবে। এরপর প্রয়োজন হলে তদন্ত কর্মকর্তা তাদের আবার রিমান্ডে নেবেন। তারা রিমান্ডে কী তথ্য দিয়েছেন, তা সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার ঘটনায় কানাডিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশি তামিম আহমেদ চৌধুরী ও সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াকে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করেছিল পুলিশ। তাদের প্রত্যেককে ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকার পুরষ্কারও ঘোষণা করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২২ জন নিহত হয়। সেনাবাহিনীর অপারেশন থান্ডারবোল্টে ৬ জঙ্গি নিহত হয়।