ঢাকা: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর পরিবারের সদস্যরা কাশিমপুর কারাগারে তার সাথে শেষ সাক্ষাৎ করেছেন। আজ শনিবার সন্ধ্যায় তার সাথে শেষ দেখা শেষে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে বরে হয়েছেন পরিবারের ৩৮ সদস্য। আজ বিকেল পৌনে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৮ মিনিট পর্যন্ত (এক ঘণ্টা ২৩ মিনিট) সব সদস্য পর্যায়ক্রমে দেখা করেন এবং কথা বলেন।
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার নাশির আহমেদ জানান, বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে ৬টি গাড়িতে করে ফাঁসির দ-প্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর পরিবারের সদস্যরা কারাগারে আসেন। পরে নিয়মমতে তারা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে সাক্ষাতের জন্য আবেদন করেন। পরিবারের ৩৮ জনকেই কিছু সময়ের জন্য সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর ৪০ নম্বর কনডেম সেলে রাখা হয়েছে মীর কাসেমকে।
এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুর মণিপুরের রহমত মঞ্জিল থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তারা। প্রথমে ছোট মাইক্রোতে রওনা হলেও পথিমধ্যে গাড়ি পরিবর্তন করা হয়। তখন হায়েস গাড়িতে করে যান তারা।
জানা যায়, জামায়াতের মজলিসে শুরা সদস্য মীর কাসেমের সাথে শেষবার দেখা করতে তার স্বজনরা কারাগার কর্তৃপক্ষের ডাক পেয়ে আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় ৬টি মাইক্রোবাসে করে কাসিমপুরে পৌঁছান তার পরিবারের সদস্যসহ ৪৫ জন সদস্য। তাদের মধ্যে মীর কাসেমের স্ত্রী, মেয়ে, পুত্রবধূসহ ৩৮ জনকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়েছিল বলে জেলার নাশির আহমেদ জানিয়েছেন।
তারও আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন না- সিদ্ধান্ত জানালে ফাঁসি কার্যকরের সব প্রস্তুতি শুরু করে কারা কতৃপক্ষ। আনুষ্ঠানিকতা শেষে অপেক্ষা ছিলো কেবল নির্বাহী আদেশের। এখন সেটাও হতে পৌঁছেছে।