• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গড়িয়ে পড়ে না কিছুতেই এই পাথর

imageসিসি ডেস্ক: তামিলনাডুর মহাবলীপুরমের অন্যতম ট্যুরিস্ট অ্যাট্রাকশন এক আশ্চর্য পাথর। ‘কৃষ্ণা’জ বাটারবল’ নামে পরিচিত এই বিশাল পাথরটি আশ্চর্য ব্যালান্সে দাঁড়িয়ে রয়েছে বছরের পর বছর। তামিল ভাষায় এই পাথরকে ডাকা হয় ‘ভনিরাই কাল’ নামে, যার অর্থ— ‘আকাশ দেবতার পাথর’। ৫ মিটার ব্যাসযুক্ত এই পাথরকে ঘিরে স্থানীয় কিংবদন্তির শেষ নেই। মধ্যাকর্ষণের যাবতীয় নিয়মকে কলা দেখিয়ে সে অবিচল থাকে, গড়িয়ে পড়ে না কিছুতেই। অথচ তাকে দেখলেই মনে হয়, এই বুঝি সে গড়িয়ে পড়ল।

মানুষ প্রকৃতির রহস্যে বরাবরই দৈব মহিমা খোঁজে। এখানেও খুঁজেছে। গোলাকৃতি সুবিশাল এই ঝুলন্ত পাথরের নাম তাই লোকমুখে হয়ে দাঁড়িয়েছে— ‘কৃষ্ণের ননীর তাল’। তামিল ভাষায় এই পাথরকে ডাকা হয় ‘ভনিরাই কাল’ নামে, যার অর্থ— ‘আকাশ দেবতার পাথর’। ঝুলন্ত পাথর পৃথিবীতে কম নেই। কিন্তু এতটা গোলাকৃতি ঝুলন্ত পাথর বিরল। বিশেষজ্ঞরা বহুকাল ধরেই পাথরটিকে পরীক্ষা করে এসেছেন। তাঁদের মতে,  এমন আকৃতিই প্রাথমিকভাবে একটা রহস্যের ব্যাপার। বিশ্বের অন্যত্র এই ধরনের যে পাত গুলি রয়েচে, তারা কেইই এর মতো এত বড় নয়।

%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%b0আবহিবিকারেই কি সৃষ্টি হয়েছে এই পাথর? নাকি কেউ একে এই স্থানে নিয়ে এসে রেখেছিল? এই নিয়েও তর্ক চলে বিস্তর। কথিত আছে, ১৯০৮ সালে মাদ্রাজের তদানীন্তন ছোটলাট পাথরটিকে সরাতে চেয়েছিলেন। ৭টি হাতি নিয়ে এসে ঠেলাঠেলি করেও কোনো লাভ হয়নি। ফলত একে ঘিরে কিংবদন্তি বাড়তে থাকে। জানা যায়, পল্লব রাজবংশের আমলে সপ্তম শতাব্দীতেও পাথরটি ছিল। কিন্তু পাথরটি জনসমক্ষে আসে ১৯৬৯ সালে। এক ট্যুরিস্ট গাইড পাথরটিকে আবিষ্কার করেন। কথিত আছে, চোল বংশের প্রখ্যাত নৃপতরাজ রাজ চোল ১০০০ খ্রিস্টাব্দে পাথরটিকে পরীক্ষা করান। তিনি এই পাথরের অনুকরণে এমন কিছু পুতুল বানান, যা ওই পাথরের মতো আশ্চর্য ব্যালান্সে অবস্থান করে।

প্রকৃতির খেয়াল, নাকি এর পিছনে বিধাতার তথা গ্রহান্তরের আগন্তুকদের কেরামতি বিদ্যমান, এই নিয়ে গপ্পে-সপ্পে কেটে যায় কয়েকশো বছর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ