• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ ঘোষণায় মার্কিন কংগ্রেসে বিল

pakistan1474425632আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বিল উত্থাপন করেছেন আইনপ্রণেতারা।

জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ভাষণ দেওয়ার আগে এ উদ্যোগের কথা জানা গেল। আইনপ্রণেতারা কংগ্রেসকে অবহিত করেছেন, সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা উচিত পাকিস্তানকে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের এক খবরে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক ঘোষণা বিল এইচ আর ৬০৬৯ বিলটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের অনুমতি পেলে আগামী চার মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
পাকিস্তান রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকতা করছে অথবা করছে না- এই মর্মে ৯০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট একটি প্রতিবেদন দেবেন। তারপরের ৩০ দিনের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশদ প্রতিবেদন দেবেন, যাতে উল্লেখ থাকবে পাকিস্তানকে কেন সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষণা করা হবে অথবা কী কারণে তা হবে না।
টেক্সাস থেকে কংগ্রেসের আইনপ্রণেতা ও সন্ত্রাসবাদবিষয়ক হাউস সাবকমিটির চেয়ারম্যান টেড পো এবং ক্যালিফোর্নিয়া থেকে কংগ্রেসের আইনপ্রণেতা ডানা রোরাবাচার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এ বিল এনেছেন। এর মধ্যে রোরাবাচার বেলুচিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘন ইস্যুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সোচ্চার।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিলের বিষয়ে টেড পো এক বিবৃতিতে দাবি করেন, পাকিস্তান শুধু অবিশ্বস্ত বন্ধুই নয়, তারা বছরের পর যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুদের তাদের মাটিতে আশ্রয় দিয়েছে। তারা ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছে। হাক্কানি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগসাজশ রক্ষা করে চলে। এগুলো যথেষ্টর চেয়ে বেশি প্রমাণ দেয় যে, সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধে পাকিস্তান কোন পক্ষে অবস্থান করছে। আমেরিকা তা চায় না।
এখন ওবামা প্রশাসনের শেষ সময় চলছে। এ সময়ে বহু বিলের মধ্যে সামান্য কিছু বিল হয়তো কার্যকরী হবে। যে কারণে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আনা বিলটি খানিকটা প্রতীকী অর্থে থেকে যাচ্ছে। তবে এটি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি কড়া বার্তা আমেরিকা ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রাণ নেওয়ার কঠোর জবাব দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ