• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চিলমারীতে ২মাস থেকে জলাবদ্ধতার কবলে বিদ্যালয়

chilmari-pa-photo-21-9-16চিলমারী প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ২ মাস থেকে জলাবদ্ধতার কবলে চিলমারী ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। কতৃপক্ষের অবহেলা, থৈ থৈ পানি আর পোকা মাকড়ের ভয়ে কমে গেছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি হার। দিনের পর দিন অচল হয়ে পড়ছে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাপক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শ্রেণী কক্ষ থেকে গত কয়েকদিন আগে পানি নেমে গেলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠসহ বিদ্যালয়ের চারপাশ পানিতে তলিয়ে থাকায় পাঠদানে উপযোগী পরিবেশ নেই এবং নষ্ট হয়ে পড়েছে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো। পানি বন্দি হওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠাতে নিরৎসাহিত করছেন অবিভাবকরা এবং  অন্য প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে চালাচ্ছেন পড়াশুনা।
জানা গেছে, টানা বৃষ্টি আর উজানের পানির ঢলে প্লাবিত হয়ে পড়ে চিলমারী। বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় বাড়িঘর, স্কুল কলেজ। বন্যার পানি অনেকদিন আগে নেমে গেলেও উপজেলার চিলমারী ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পানি এখন পর্যন্ত নেমে না যাওয়ায় প্রায় ২মাস ধরে পানি বন্ধি হয়ে জলাবন্ধতার কবলে পরে থাকায় শিক্ষার মান ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে কতৃপক্ষের অবহেলার কারনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি হার দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং অবিভাবকদের মাঝে সৃষ্ঠি হচ্ছে ক্ষোভের। বিদ্যালয়ে সমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চারপাশে থৈ থৈ পানি আর পানির দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশ। ক্লাশে ক্লাশে দু’চারজন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকলেও উপস্থিত নেই বেশির ভাগ শিক্ষার্থী। তর্থ্য অনুযায়ী ১৪৬জন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও সেই দিন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ৩০জনের মতো পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আঁখি, তিন্নি, লিমা বলেন স্কুলে পানি থাকায় শুধু লেখা পড়া নয় খেলাধুলারও সমস্যা হচ্ছে এবং সব সময় সাপসহ বিভিন্ন পোকা মাকরের ভয়ে থাকতে হয়। সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ শারমিন আকন্দ দূর্ভোগের কথা শিকার করে বলেন প্রায় ২মাস ধরে পানি জমে থাকায় পানি আর কাদামাটির দুর্গন্ধে স্কুলে থাকা মুশকিল হয়ে পড়ছে এছাড়াও গত কয়েকদিন আগে ১টি সাপ বেড়িয়ে পড়ায় ভয়ে কেউ ক্লাশেও যেতে চাচ্ছে না। প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ লিলুফা বেগম বলেন বার বার অফিসে জানিয়েও কোন ফল পাচ্ছিনা। তবে জলাবন্ধতার কথা জানেননা বলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন আমাকে এবিষয়ে কেউ বলেনি। আপনাদের নিকট শুনলাম সরেজমিন ঘুরে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে অবিভাবকসহ এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষিকাসহ কতৃপক্ষকে দায়ি করে বলেন এমনিতেও তো লেখাপড়া হয় না তার উপর পানি আর পোকা মাকরের ভয়। এসময় তারা ক্ষোভের সাথে বলেন সরকার শিক্ষার জন্য কত কি করছেন আর (শিক্ষক ও অফিসার) এদের কোন খবর নেই। এদের তো সমস্যা নাই বান হইক, পানি থাকুক আর বৃষ্টি বাতাস হক বেতন তো পায় সমস্যা তো শিক্ষক আর অফিসারদের নাই যত সমস্যা ছাত্র/ছাত্রী আর অবিভাবকদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ