কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ছাট কড়াইবাড়ী সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে তাহারুল ইসলাম (৩০) নামের এক বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী নিহত হওয়ার ঘটনায় বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বিজিবি’র তীব্র প্রতিবাদের মুখে হত্যার দায় অস্বীকার করেছে বিএসএফ।
বিজিবি জানায়, রোববার বিকেলে ছাটকড়াইবাড়ী সীমান্তের ১০৫৫ আন্তজাতিক সীমানা পিলারের নিকট পতাকা বৈঠক হয়
পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, জামালপুরের পরিচালক লেঃ কর্নেল মোঃ রফিকুল হাসান। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পানবাড়ী বিএসএফ ক্যাম্পের সেক্টর কমান্ডার রাজা সিংক।
৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, জামালপুরের পরিচালক লেঃ কর্ণেল মোঃ রফিকুল হাসান জানান, পতাকা বৈঠকে বিজিবি’র পক্ষ থেকে বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ী হত্যার তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানালে বিএসএফ হত্যার দায় অস্বীকার করে।
উল্লেখ্য, রোববার ভোর রাতে ছাট কড়াইবাড়ী সীমান্তে ১০৫৫ আর্ন্তজাতিক সীমানা পিলারের সন্নিকটে গরু আনতে যান তাহারুল। এ সময় ভারতের দ্বীপচর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় তাহারুল। নিহতের লাশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পড়ে থাকলে বিজিবি ও পুলিশ লাশ উদ্ধার করে রৌমারী থানায় নিয়ে আসে। নিহত গরু ব্যবসায়ী তাহারুল ছাট কড়াইবাড়ী গ্রামের বক্তার হোসেনের পুত্র বলে জানা গেছে।
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএম সাজেদুল ইসলাম জানান, নিহত গরু ব্যবসায়ীর লাশ থানা রাখা আছে। ময়নাতদন্তের পর পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
এ ঘটনার একদিন আগে শুক্রবার রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তে আর এক গরু ব্যবসায়ী দুখু মিয়া (২৮) বিএসএফ’র গুলিতে নিহত হন। একই দিন ঝিনাইহদ সীমান্তেও বিএসএফর গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হন।