• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দুর্নীতির মামলায় জাপা মহাসচিবসহ চার আসামি খালাস

%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b6যশোর: যশোরের নওয়াপাড়ার বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলে চাকরি সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ও সাবেক বস্ত্র ও শিল্পমন্ত্রী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারসহ চার আসামি খালাস পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা জজ) আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ রায় ঘোষণা করেন। খালাসপ্রাপ্ত অন্য তিন আসামি হলেন- সময়রক্ষক ও এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর শহিদুল্লাহ, বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের উপ-মহাব্যবস্থাপক নুরুল হক এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) হুমায়ুন কবির।
আসামি পক্ষের আইজনজীবী অ্যাডভোকেট মাহাবুব আলম বাচ্চু বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত চার আসামিকে খালাস দিয়েছেন। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে আদালতে আরো উপস্থিত ছিলেন  অ্যাডভোকেট হাসান ইমাম ও অ্যাডভোকেট কাজী শফিকুল ইসলাম।
আদালত সূত্র মতে, বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলে চাকরি করার সময়ে ১৯৮৮ সালের ৬ মে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সময়রক্ষক ও এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর শহিদুল্লাহ চাকরিচ্যুত হন। ১৯৮৯ সালের ১৭ আগস্ট বেতনবিহীন শর্তসাপেক্ষে বস্ত্র ও শিল্প কর্পোরেশন মন্ত্রণালয়ের আদেশে আবার তার চাকরি বহাল রাখা হয়।
সে অনুযায়ী পাঁচ দিন পর ২৩ আগস্ট তিনি চাকরিতে যোগদান করেন। কিন্তু তৎকালীন বস্ত্র ও শিল্পমন্ত্রী বর্তমান জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের উপ-মহাব্যবস্থাপক নুরুল হক এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) হুমায়ুন কবিরের সাথে যোগসাজসে ১৯৯০ সালের ৩০ আগস্ট এক লাখ ৬১১ টাকা বেতন উত্তোলন করেন।
এই অনিয়মের ঘটনায় যশোর জেলা দুর্নীতি দমন ব্যুরোর তৎকালীন পরিদর্শক সুখরঞ্জন জমাদ্দার ১৯৯২ সালের ২৮ জুলাই অভয়নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় মীর শহিদুল্লাহ, এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, নূরুল হক এবং হুমায়ুন কবিরসহ চারজনকে আসামি করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন ব্যুরোর তৎকালীন সহকারী পরিচালক আবুল বাসার এ মামলায় মীর শহিদুল্লাহ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন। ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি মীর শহিদুল্লাহ আদালতে আত্মসমার্পণ করলে রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ান জারি করা হয়। এরপর আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২৯ সেপ্টেম্বর বিচারক আসামিদের বেখসুর খালাস দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ