নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় আজ শনিবার দুপুরে পুলিশ জিকরুল হক ভুট্টু (৪০) নামের একনৈশ প্রহরীর লাশ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে। সে জেলার ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন নৈশ প্রহরী ও খগাখড়িবাড়ী গ্রামের আব্দূল মজিদ পুত্র। লাশের গলায় আঘাতে চিহ্ন রয়েছে।
জানা যায়, ২০১৩ সাল থেকে ভুট্টু উক্ত প্রতিষ্ঠানে খন্ডকালীন নৈশ প্রহরী হিসেবে চাকুরী করে আসছিল। গতকাল শুক্রবার রাতে নৈশ প্রহরী জিকরুল হক ভুট্টু ও তার স্ত্রী নার্গিস বেগমের সাথে বিদ্যালয়ে একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ভোর বেলা স্ত্রী দেখতে পায় তার স্বামী সেখানে নেই অনেক খোজাখুজির পর সকালে বিদ্যালয়ের পুকুরে তার স্বামীর লাশ ভেসে উঠতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। খগাখড়িবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন জানায়, ভুট্টু খন্ডকালীন নৈশ প্রহরী হিসেবে ২০১৩ সাল থেকে কাজ করে আসছে। সে রাত্রীকালীন সময়ে তার স্ত্রীসহ বিদ্যালয়ে থাকত। সকালে বিদ্যালয়ে আসার পর জানতে পারেন পুকুরে তার লাশ পড়ে ছিল। নিহত স্ত্রী নার্গিস বেগম জানায়, তার স্বামীকে হত্যা করে লাশ পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়া হয়েছে। তাদের ৫জন সন্তান বাড়ীতে রেখে স্বামী স্ত্রী বিদ্যালয় পাহারা দিত। যে পুকুর থেকে ভুট্টুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তার গভীরতা ৪ ফুটের উপরে হবে না।
এ ব্যাপারে ডিমলা থানার এসআই সফিয়ার রহমার বলেন, ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ার কারনে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলার মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তে হত্যার আসলে রহস্য বেরিয়ে আসবে।