• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মান কাজে অনিয়ম

অনিয়মবিশেষ প্রতিনিধি: দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মান ও সংষ্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ এনে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আ.লীগ নেতারা।
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল বারী জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নতি করনে নতুন ভবন নির্মান এবং পুরোনো ভবন সংষ্কারে প্রায় আট কোটি টাকা ব্যয়ে এ বছরের জানুয়ারী মাস থেকে কাজ শুরু করে ঢাকার মালিথা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পনের মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে বলে স্বাস্থ্য প্রকৌশল দিনাজপুর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।
উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জিয়াউর রহমান মানিক জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নতি করনের জন্য ইতিপূর্বেও একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছিলো। সেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিয়ম দুর্নীতি করে কাজ অসমাপ্ত  রেখে গোপনে চলে যায়। কিন্তু ঠিকাদার প্রকৌশলীদের সাথে আঁতাত করে তাঁর বিল ঠিকই তুলে নেয়। ফলে  প্রায় তিন বছর কাজ বন্ধ থাকে। এতে করে সরকারের নির্মান ব্যয়ও বেড়ে যায়। এতো টাকার কাজ হচ্ছে অথচ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি স্থানীয় সাংসদ বা সদস্যদের কাউকেই কিছুই জানানো হয়নি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি সাদেক হোসেন জানান, হাসপাতাল নির্মানে ৫৮ টাকার টাইলস ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে অথচ ঠিকাদার ব্যবহার করছেন ৩৮ টাকার টাইলস। সিডিউলে যে মূল্যের সামগ্রী ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে তা ব্যবহার না করে অত্যন্ত নিম্নমানের ব্যবহার করছে। এছাড়াও সংষ্কার কাজও করছে দায়সারা ভাবে। এসকল অনিয়মের অভিযোগে সাংসদের নির্দেশে ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজাউল বারীকে সাথে নিয়ে দেখা গেছে যে সকল স্থানে সংষ্কার করা হয়েছে সেখান থেকে টাইলস উঠে গেছে, দেয়ালের নষ্ট হয়ে যাওয়া পুরো জায়গাটি সংষ্কার না করে দায়সারা ভাবে সংষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রেজাউল বারীসহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার শফিকুল ইসলামের কাছে ঠিকাদারের মুঠোফোন নাম্বার চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন। নির্মান ও সংস্কার কাজের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কাজ শুরুর পর থেকে অনেকেই নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে অনিয়মের অভিযোগ করে আসছে। এতে করে তাদের কিছু যায় আসেনা।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজাউল বারী জানান, ঘটনাটি তিনি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছেন।
দিনাজপুরের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নির্মান ও সংস্কার কাজের তথ্য চেয়ে সাংবাদিকরা গত ফেব্রুয়ারী মাসে দিনাজপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করলেও বিভিন্ন টালবাহানা করে আজও তথ্য দেননি নির্বাহী প্রকৌশলী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ