মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য, বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির পিতা সাবেক সাংসদ মরহুম এম আব্দুর রহিম স্বরনে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হবে। মরহুম এম. আব্দুর রহিম নাগরিক শোক সভা কমিটি এ শোক সভার আয়োজন করে।
শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ৪ টায় দিনাজপুর ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত শোক সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শোক সভায় বক্তারা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে এম আব্দুর রহিম হাসপাতাল নামকরন করার দাবী জানান। প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রেরন করা হয়।
বক্তব্য রাখেন বাংরাদেশের এ্যাটর্নী জেনারেল এ্যাড. মাহবুবে আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এ্যাড. ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, জাতীয় সংসদের হুইপ ও মরহুমের ছেলে ইকবালুর রহিম এমপি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম, বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অজয় রায়, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, মরহুমের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও পরমানু চিকিৎসা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ বি কে বোস, প্রবীন আইনজীবি ইছাহাক আলী, দিনাজপুর বঙ্গবন্ধু আইনজীবি পরিষদের সভাপতি এ্যাড. আজিজুল হক জুগলু, মহিলা নেত্রী আজাদী হাই, দিনাজপুর চেম্বারের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি চিত্তঘোষ, দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওয়াহেদুল আলম আর্টিস্ট, দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার ফোরামের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। মঞ্চে নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিলেন মরহুম এম.আব্দুর রহিমের ছেলে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি। শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন এম. আব্দুর রহিম নাগরিক শোক সভা কমিটির আহবায়ক মির্জা আনোয়ারুল ইসলাম তানু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব আব্দুস সামাদ চৌধুরী।
বক্তারা মরহুম এম.আব্দুর রহিমের রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবনের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, তিনি জনগনের কল্যানে তাঁর জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য তার জীবনী শক্তি ছিল প্রবল। তাঁর সততা, নিষ্ঠা ও নৈতিকতা আমাদের জন্য পাথেয়। তিনি কোনদিন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি। লোভ-লালসা ও হুমকি তাঁকে পরাভূত করতে পারেনি। এম.আব্দুর রহিম মৃত্যুর মুখে দাড়িয়ে জনগনের জন্য লড়াই করে গেছেন। বিপদে আপদে, আনন্দে, আশার বানী শুনতে মানুষ তাঁর কাছে ছুটে যেতো।
শোক সভা শেষে মরহুম এম.আব্দুর রহিমের রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবনের উপর একটি প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।