• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কিশোরগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

picture-from-nilphamari-11-10-2016-1নীলফামারী: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিমকে লাঞ্চিত করার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ ও উপ-পরিদর্শক রায়হান আলীর অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার বিকালে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা শহরের সাবরেজিস্টার কার্যালয়ের সামনে থেকে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওই কার্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করে। এসময় আধাঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে ওই সড়কে।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আবুল কালাম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ফণিভূষণ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক বিপুল চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেক লীগের সভাপতি প্রতিরাম রায় প্রমুখ।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান অভিযোগ করে বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুটিমারী পূজা ম-বে কোন কারণ ছাড়াই ছাত্রলীগ কর্মী বাবলা মিয়াকে মারধর করেন পুলিশ। ওই মারধরের ঘটনার প্রতিবাদ করে আমি কারণ জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি বজলুর রশীদ বাবলাসহ আমাকে থানায় যেতে বলেন। আমি রাত সাড়ে ১২টার দিকে থানায় গেলে ওসি এবং উপ-পরিদর্শক রায়হান আলী আধা ঘণ্টা আটকিয়ে রেখে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করেন। পরে রাত একটার দিকে আমাকে ছেড়ে দেন।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, কিশোরগঞ্জ থানার ওসি ও এসআই রায়হান আলী সোমবার রাতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমানকে থানায় ডেকে নিয়ে নির্যাতন করেছেন। আমরা তাদের অপসারণ দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছি। একই দাবিতে আগামীকাল বুধবার শহরের শহীদ মিনার চত্তরে মানববন্ধন কর্মসুচি ঘোষণা করা হয়েছে।
অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় নেশাগ্রস্ত কিছু ছেলে পুজা ম-বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিত-া হয়। পরে সেখানেই বিষয়টি মিমাংসাও হয়ে যায়। এর পর রাতে ২০ থেকে ২৫জন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী থানার সামনে পুলিশের সঙ্গে বাকবিত-া শুরু করেন। আমি সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি হালিম ও সাধারণ সম্পাদক ডালিমের সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু অন্যরা তাতে রাজি না হয়ে ওই দুইজনকে সঙ্গে করে থানা চত্ত্বরে থেকে বেরিয়ে যান তারা। থানায় কাউকে কোনোভাবে লাঞ্চিত করা হয়নি। মঙ্গলবার বিকালে থানার সামনের সড়কে মিছিল করে যেতে দেখেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ