মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: অবশেষে দিনাজপুর পৌরসভায় ৬ হাজার ইজিবাইককে (অটোবাইক বা অটোরিক্সা) লাইসেন্স প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে “শহরে ইজিবাইক চলাচল ও নিয়ন্ত্রন বিষয়ক কমিটি” এর এক সভায় ইজিবাইককে লাইসেন্স প্রদানের এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও শহরে ইজিবাইক চলাচল ও নিয়ন্ত্রন বিষয়ক কমিটির আহবায়ক গোলাম রাব্বি। সভায় কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ইজিবাইক মালিক ও ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দিনাজপুর পৌরসভার কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বাচ্চু জানান, গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ইজিবাইকের মহাজনী বা মালিকানা ফরম বিক্রি হয়েছে ৭ হাজার ৮শ’। ১০ নভেম্বর পর্যন্ত মালিকানা ফরম জমা নেয়া হবে। এর মধ্যে যাচাই বাছাই করে ৬ হাজার ইজিবাইককে লাইসেন্স প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ৪ হাজার ইজিবাইককে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে আরো ২ হাজার ইজিবাইককে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এছাড়া ইজিবাইক চালকদের ১০ নভেম্বর হতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ফরম বিতরণ করা হবে। পূরণকৃত ফরম প্রাপ্তির পর চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হবে।
তিনি আরো জানান, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ইজিবাইকের জন্য লাইসেন্স ফি ২ হাজার ৫শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা। এছাড়া চালকদের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি প্রতি চালকের জন্য ১ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৫শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১শ’ টাকা। ইজিবাইক ও চালকদের এই লাইসেন্স এক বছর বলবৎ থাকবে। এক বছর আবার এই লঅইসেন্স নবায়ন করতে হবে।
দ্রুত সময়ের মধ্যেই মহাজনী বা মালিকানা লাইসেন্স এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হবে। তবে শহরের বাইরের কোন ইজিবাইক ও চালককে পৌরসভা হতে কোন লাইসেন্স প্রদান করা হবে না বলে জানান পৌরসভার ওই কর্মকর্তা।