কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: নানা আয়োজনে ১৪ নভেম্বর দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের এই দিনে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা হানাদার মুক্ত হয়। প্রেসক্লাবের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে র্যালী, পুস্পস্তবক অর্পন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১ টায় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ভুরুঙ্গামারী উপজেলা শহর প্রদক্ষীন করে ভুরুঙ্গামাীর বাসটার্মিনাল এলাকায় নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। র্যালি শেষে পাবলিক লাইব্রেরী মুক্তমঞ্চে প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুন্নবী চৌধুরী খোকন, ইউএনও আজহারুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মহি উদ্দিন আহমেদ, ভুরুঙ্গামারী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মুকুল চৌধুরী, সহকারী কমান্ডার এটিএম শাজাহান মানিক, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মন্টু, শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক সরকার রকীব আহমেদ জুয়েল প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে ১৩ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী ঐক্যবদ্ধ হয়ে ততকালীন পাক বাহিনীর ক্যাম্প ভুরুঙ্গামারী ডিগ্রী কলেজ ও বর্তমান উপজেলা পরিষদে আক্রমন করে। রাতভর প্রচন্ড সংঘর্ষের পর ১৪ নভেম্বর পাকবাহিনী পিছু হটে ফুলকুমার নদীর উপর রায়গঞ্জ ব্রীজের ওপারে আবস্থান নেয়। ভুরুঙ্গামারী হয় দেশের প্রথম কোনো মুক্ত উপজেলা। পাকবাহিনীরা চলে গেলে তৎকালীন সিও অফিস বর্তমানে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করে।
সন্ধ্যায় একই মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে কবি নজরুল শিল্পকলা একাডেমী।