নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে অনুমোদনহীন পালস্ হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার নামের একটি বেসরকারী চিকিৎসা কেন্দ্রে সুরমা বেগম (৩৫) নামের এক প্রসুতির সন্তান প্রসবে সিজার করতে গিয়ে মৃত্যুর ধামাচাপা দেওয়ার ঘটনায় আজ মঙলবার দুপুরে তদন্ত শুরু করেছে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি।
জানা যায়, গত ১০ ই নভেম্বর জেলার ডোমার উপজেলা শহরের অনুমোদনহীন পাল্স হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার নামের একটি বেসরকারী চিকিৎসা কেন্দ্র সুরমা বেগম (৩৫) নামের এক প্রসুতির সন্তান প্রসবে সিজার করতে গিয়ে মারা যায়। এ মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় হতে নীলফামারী সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সিরাজুল ইসলামকে আহবায়ক করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার মনিরুজ্জামান, ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ হিরম্ব কুমার রায়কে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। গত ১৩ ই নভেম্বর তারিখের গঠিত তদন্ত কমিটি আজ মঙলবার দুপুরে তদন্তে আসেন। এলাকাবাসীর অভিযোগে জানা যায়, নীলফামারী জেলার ডোমার বাসষ্টান্ড সংলগ্ন অনুমোদনহীন পাল্স হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার নামের একটি বেসরকারী চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলেন পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের সাবেক পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ একরামুল হক। সরকারী চাকুরী থাকা অবস্থায় গত দেড় বছর আগে তিনি এটি গড়ে তোলেন। গত এক বছর হলো তিনি চাকুরী হতে অবসরগ্রহন করেছেন। ক্লিনিকটি পরিচালনার জন্য সরকারীভাবে অনুমতির প্রয়োজন থাকলেও তিনি তা করেননি। ফলে কিছু প্রভাবশালীর ছত্র ছায়ায় তিনি এটি অবৈধভাবে পরিচালনা করছেন। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নীলফামারী সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সিরাজুল ইসলাম ক্লিনিকটির অনুমোদন আছে কিনা তা তিনি জানেন না। তবে তিনি তিনি কি কারনে তদন্তে এসেছেন তা না জানালেও অনুমোদনের ব্যাপারে উপরে লিখবেন বলে সাংবাদিকদের জানান। তদন্ত কমিটির অপর সদস্য ও ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ হিরম্ব কুমার রায় জানান, কিছু কারন তো আছেই। এলাকাবাসীর দাবী, ঘটনাটি স্বাস্থ্য বিভাগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ডোমারের উক্ত ক্লিনিকটি যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।