সিসি ডেস্ক: বিবাহ একটি নারীও পুরুষের জীবনে সর্বোচ্চ বোঝাপড়া অধ্যায়ের শুরু হয়। উভয়ের ভালোবাসার মাধ্যমে আলোকিত হয়ে যায় নতুন দম্পতির ঘর। এ ভাবেই চলতে থাকে দিনের পর যুগ। উভয়ের প্রচেষ্টায় তিলে তিলে গড়া মৌচাকের মধু যেন শেষ হবার নয়। সেই ভালোবাসার ঘর মুহূর্তে বিষাদে পরিণত হয়। এ-ও এক বাস্তব। পরকীয়া মানেই খারাপ, এই ধারণার বাইরে গিয়ে বিবাহিতাদের পরকীয়ায় জড়ানোর কারণের খোঁজ করেছেন একদল গবেষক। পাওয়া গিয়েছে মূলত ৫টি কারণ।
• একাকীত্ব
বিবাহিতাদের মধ্যে অনেকেই গৃহবধূ। চাকরি করলেও, বেশিরভাগ নারীই সন্ধ্যার মধ্যে ঘরে ফেরেন। কিন্তু তাদের স্বামীদের ফিরতে দেরি হয়। অনেকের স্বামী আবার অন্য শহরে বা দেশে কাজ করেন। এর ফলে বিবাহিতাদের মধ্যে একাকীত্ব বাড়ে। এবং তা থেকেই পরকীয়ায় জড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ে।
• লালসা
বিবাহিত জীবনে যৌন-সম্পর্কে অতৃপ্তি রয়েছে দু’নম্বর কারণ হিসেবে। কোন কারণে যদি সঙ্গীর এক জনের মধ্যে দুর্বলতা লক্ষ্য করা যায় তখন বাধে বিপত্তি। এ কারণে বিবাহিত নারীদের মধ্যে পরকীয়ার প্রবণতা বাড়ে।
• স্বামীর মনোযোগের অভাব
অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সামলাতে হিমশিম খায় অনেক পুরুষ। কর্তা হিসেবে অফিস বা প্রতিষ্ঠানে সময় দিতে দিতে পরিবারের একেবারেই সময় দেন না। এ কারণেই আসে হতাশা। পরিণতি, পরকীয়া।
• বৌদ্ধিক তারতম্য
স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে বৌদ্ধিক তারতম্য, বা ইন্টেলেকচুয়াল ডিফারেন্সও পরকীয়ার আর এক কারণ। অনেক সময় স্ত্রী-স্বামীর মধ্যে বোঝাপড়ার মধ্যে বিস্তর দূরত্বের কারণে পরকীয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
• অর্থ এবং ক্ষমতা
অন্য পুরুষের অর্থ এবং ক্ষমতার মোহে অনেক নারী স্বামীর ঘর ছেড়েছেন। শুধু অর্থ নয় ক্ষমতা একটি বড় ব্যাপার মনে করেন নারীরা। তারা আশা করেন সমাজে তার স্বামী একটি অন্যদের চেয়ে বেশি ক্ষমতাবান হোক। সমাজ তাকে বাহবা দিক। তবে এশিয়ার নারীদের মধ্যে এই প্রবণতা কম।