সিসি ডেস্ক: নাটোর পৌর যুবলীগের তিন কর্মীর হত্যাকারীদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন নাটোর পৌর যুবলীগ।
মঙ্গলবার ভোরে ৩ যুবলীগ কর্মীর মরদেহ দিনাজপুর থেকে নাটোরে আনার পর সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের কানাইখালী মাঠে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের অদূরে গাড়িখানা কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
জানাজাপূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপি শিমুল বলেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নাটোরের তিন যুবলীগ কর্মী হত্যা রহস্য উদঘাটন না করলে নাটোরসহ উত্তরাঞ্চল অচল করে দেয়া হবে। এর সাথে দলের বা প্রতিপক্ষ কিংবা প্রশাসনের কেউ জড়িত থাকলেও তা খুঁজে বের করতে হবে।
তিনি বলেন, এর সাথে যেই জড়িত হোক তাদের খুঁজে বের করে নাটোরের মাটিতেই বিচার করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমরা দেখা করে এর কারণ উদঘাটনের আহ্বান করেছি। তিনিও এ ব্যাপারে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।
জানাজায় জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ও নিহতদের পরিবারের স্বজনরা অংশ নেন।
এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোর্তুজা আলী বাবলু ও পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক সায়েম হোসেন উজ্জ্বল।
এর আগে সোমবার মধ্যরাতে নিহত তিন পৌর যুবলীগ কর্মী রেদওয়ান সাব্বির, আব্দুল্লাহ এবং সোহেলের মৃতদেহ দিনাজপুরে ময়নাতদন্তের পর নাটোরে এসে পৌঁছে।
মৃতদেহ নাটোরে পৌঁছার পর কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে পরিবার , স্বজন ও এলাকাবাসী। তবে দলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করেনি।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শহরের কানাইখালী স্টেডিয়াম মাঠে নিহত রেদওয়ান আহমেদ সাব্বির, আব্দুল্লাহ ও সোহেল রানার জানাজা শেষে তাদের গাড়িখানা কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। গত শনিবার রাতে মাইক্রোবাসে করে নাটোর শহরতলীর তকিয়া বাজার থেকে তিন যুবলীগ কর্মীকে আইনশৃঙ্গলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন বিপ্লব জানান, দলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো মামলাও হয়নি।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এখনো কোনো মামলা হয়নি তবে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে বলে জানতে পেরেছি।
নতুন বার্তা