• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রমরমা কোচিং ব্যবসা

সিসি ডেস্ক:  ছাত্র-ছাত্রীদের ফাঁদে ফেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহর বর্তমানে কোচিং সেন্টারে পরিণত হয়েছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞাকে তোয়াক্কা না করে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির শতভাগ প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিক্ষক নেতাদের জিম্মি হয়ে পড়ায় কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছেন না অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।
লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রেয়াজুল ইসলাম রাজু জানান, ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির শতকরা ৪ ভাগ টেক্স দিতে হয় সরকারকে। এজন্য গ্রহণ করতে হয় ট্রেড লাইসেন্স। কিন্ত যারা কোচিং সেন্টার খুলে লাখ লাখ টাকা আদায় করছেন তাদের একজনেরও কোনো লাইসেন্স নেই। এসব কোচিং সেন্টারের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে জানান।

সূত্র জানায়, শহরের নামিদামী স্কুল- কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ছিল মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি কোচিং সেন্টার। কিন্ত বর্তমানে শহরময় ভরে গেছে কোচিং সেন্টারে। এসবে হাতেগোনা দু’একটির ট্রেড লাইসেন্স থাকলেও বাকিগুলোর নেই কোনো অনুমোদন। তারা বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির শতভাগ প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
রাশেদুল ইসলাম জাস্টিস নামের এক অভিভাবক জানান, সরকার কোচিং সেন্টার করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোথাও কোচিং করাতে পারবেন না।
এ নিষেধাজ্ঞার অবমাননা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্ত সৈয়দপুর রামকৃষ্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক পুরাতন বাবুপাড়ায় বর্ণমালা লার্নিং সেন্টার ও ক্যাডেট কোচিং নামের এক প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছেন। তারা ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তির শতভাগ প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৪৫০ জন শিশু শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা করে আদায় করেছেন। মাত্র ২০ দিন ওই শিক্ষার্থীদের কোচিং বাবদ আদায় করেছেন ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
ওই কোচিং সেন্টারের পরিচালক জানান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আহসান হাবিবের অনুমতি নিয়েই তিনি কোচিং সেন্টার খুলেছেন।
তিনি বলেন, তার সরকার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আহসান হাবিব, তিনি পক্ষে থাকলে কাউকে তোয়াক্কা করার টাইম নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কোচিং সেন্টারে কথা বলতে গেলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আহসান হাবিব বলেন, কোচিং সেন্টার খোলা যদি অপরাধ হয়েই থাকে তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবে সরকার। এর জন্য সাংবাদিকদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই।
নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দিলীপ কুমার বনিক জানান, প্রাইমারী স্কুলের কোন শিক্ষক শিক্ষিকা কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উৎস: নতুন বার্তা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ