• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রঘুনাথপুরে শ্বাসরোধ করে স্ত্রীকে হত্যা করেছে স্বামী

চাঁদপুর: সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের রঘুনাথপুর তেরিজপুল এলাকায় স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঘটে। পরে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে। এদিকে খুনি স্বামীকে পুলিশ আটক করে।
চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ওয়ালী উল্লাহ অলি জানান, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সালমা বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার কিছু চিন্হ তার শরীরে রয়েছে। রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় সালমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় নখের আচর রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে খুন হওয়া সালমার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি। ঘাতক স্বামী বাবুল খানকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। এ ব্যাপারে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সালমার পারিবারিক সূত্রে  জানা যায়, সাড়ে ৩ বছর পূর্বে একই ইউনিয়নের দোকানঘর এলাকার মিজি বাড়ীর লতিফ মিজির কন্যা সালমা বেগম (২৫) এর সাথে তেরিজপুল খান বাড়ীর নজরুল্লাহ খানের ছেলে বাবুল খান (৩৫) এর বিবাহ হয়। তাদের সংসারে আড়াই বছর বয়সী সিফাত নামের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। ঘটনার দিন রাতে বাবুল ও সালমার মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর সূত্র ধরে বাবুল খান রাতের যে কোন মুহুর্তের সময় স্ত্রী সালমা বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। গতকাল বুধবার ভোর রাত ৪টায় পার্শ্ববর্তী ঘরের জনৈক মহিলা সালমার বাপের বাড়ি দোকানঘরে মোবাইলে তার পিতা লতিফ মিজি ও মাতা রাশিদা বেগমকে সালমার মৃত্যুর খবর জানায়।
সালমার মা রাশিদা বেগম জানান, আজ থেকে সাড়ে ৩ বছর আগে তার মেয়ে সালমাকে বাবুল খানের সাথে ইসলামী শরীয়তমতে বিবাহ দেওয়া হয়। বিয়ের সময় স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও অন্যান্য জিনিসপত্র জামাইকে দেওয়া হয়। এরপর মাঝে মধ্যেই বাবুল সালমাকে বাপের বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে চাপ দিত। এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদও হয়েছে। ইতিমধ্যে সালমার পিতা-মাতা বাবুলকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা দিয়েছিল ব্যবসা করার জন্য। সেই টাকা পর্যন্ত বাবুল ভেঙ্গে ফেলে। তিনি আরো জানান, সমিতি থেকে লোন তুলে দেওয়ার জন্য সালমার সাথে বাবুল প্রায় ঝগড়া বিবাদ করত। বাবুল পেশায় একজন হকার ছিল। যখন যা পেত তাই বিক্রি করত। বাবুল সালমাকে  হত্যার অনেক প্রমাণ রেখে গেছে। আমার মেয়ের চুল এলোমেলো ও কানের দুল ভেঙ্গে চকির উপর পড়েছিল। গলায় কালো দাগ রয়েছে। আমার সন্তান সালমা খুনের দায়ে বাবুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ