দিনাজপুর প্রতিনিধি: জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলমের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে দিনাজপুরে ওষুধের দোকানে অনির্দিষ্টাকালের ধর্মঘট শনিবার বেলা ২টা থেকে প্রত্যাহার করেছে ওষুধ ব্যবসায়ীরা।
শনিবার (২১ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ওষুধ ব্যবসায়ীদের ৪ দফা দাবী পূরনের আশ্বাস দিলে ওষুধ ব্যবসায়ীরা তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই প্রেক্ষিতে শনিবার ২টার পর দিনাজপুর শহরের সব ওষুধের খুলেছে। ফলে বিপাকে পড়া রোগি ও তাদের স্বজনরা স্বস্তি পেয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে দিনাজপুর শহরে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে আরমান ফার্মেসিকে এক লাখ টাকা, মিতালী ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা, অবৈধভাবে ক্লিনিক পরিচালনার দায়ে শহরের পাহাড়পুর এলাকার আনোয়ারা ক্লিনিককে এক হাজার টাকা ও গোলকুঠি এলাকার রোগমুক্তি ক্লিনিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে।
এই অভিযানের প্রতিবাদে ওইদিন বিকেল ৪টা থেকে দিনাজপুর শহরের সব ওষুধের দোকান বন্ধ করে বাংলাদেশ ড্রাগিস্ট অ্যান্ড কেমিস্ট্রি সমিতি দিনাজপুর শাখার কার্যালয়ে বৈঠক করে। বৈঠকে ৪ দফা দাবীতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দেয় ওষুধ ব্যবসায়ীরা।
ওষুধ ব্যবসায়ীদের ৪ দফা দাবীর মধ্যে ছিল- বৃহস্পতিবার র্যাবের অভিযানে কয়েকটি ওষুধের দোকান থেকে নেয়া “টোকেন মানি বাদে জরিমানার বাকি টাকা ফেরৎ দেয়া, দিনাজপুর ড্রাগ সুপার মো. রফিকুল ইসলামকে দ্রুত অপসারণ, সুনির্দিষ্ট ঔষধ রাখার তালিকা প্রতিটি ফার্মেসীতে প্রদান করা ও চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন দেয়া ফুড সাবলিমেন্ট্রি সাপ্লাই বন্ধ করা।”
বৈঠকে দিনাজপুর জেলা ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আনোয়ার ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আফতাব উদ্দীন চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য মো. আসাদুজ্জামান সাগরসহ অর্ধশত ওষুধ ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।