• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে ঢালাইয়ের সময় ভেঙ্গে গেছে ব্রীজ

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের অধীনে নির্মানাধীন একটি ব্রীজ ঢালাইয়ের সময় ভেঙ্গে গেছে। ওই ভাঙ্গা ব্রীজটি নুতন করে শাটারিং না করেই তড়িঘড়ি করে ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দায়িত্বশীলতাকে ঘিরে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলায়। জানা যায়, ত্রান ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের অধীনে জেলার ডোমার উপজেলার হরিনচড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়াডের্র তেলীপাড়ায় কলন্দর নালার উপর ৬০ ফুট দীর্ঘ একটি সেতুর নির্মান কাজ চলছে। নির্মানাধীন এ সেতুর প্রকল্প নং-০৭/২০১৫-১৬ খ্রিঃ এবং নির্মান ব্যায় ৫৬,৮৯,১০৬ টাকা। সেতুটির নির্মান কাজ বর্ষা মৌসুমে শেষ হবার সিডিউল ছিল। কিন্তু যথাসময়ে নির্মান কাজ শুরু না হওয়ায় বর্ষায় নির্মান কাজ শুরুর করায় নালায় পানি বৃদ্ধির কারনে সে সময় নির্মান কাজ বন্ধ রাখা হয়। এক পর্যায়ে বর্ষার সময় সেতুটির বেসলেট এর নিচ দিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এবং সে গর্ত দিয়ে অবিরাম পানি প্রবাহের ফলে গর্তটি দিন দিন বেড়ে যায়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন খোলাভাবে পড়ে থাকায় সেতুর নির্মানের ব্যাবহৃত লোহার রডে ব্যাপকভাবে মরিচা পড়ে। মরিচার উপর নুতন করে ঢালাই ও সেতুটির বেসলেট’র এ অবস্থায় এর নির্মান কাজ শুরুর পুর্বে সেতুটির মান সম্মত নির্মান ও এর স্থায়ীত্বের প্রয়োজনে একটি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কারিগরি টিম ব্রীজের বাস্তব অবস্থা নিরুপনের মাধ্যেমে সেতুর নির্মান কাজ শুরু করা প্রয়োজন ছিল। এ ছাড়া বিধি অনুযায়ী ইস্পাতের প্লেট, লোহা, কাঠের খুটি দ্বারা শাটারিং করতে হয়। কিন্তু তা না করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাঠের তক্তা ও বাশ দিয়ে শাটারিং করে কাজ পুনরায় শুরু করেছেন। এ অবস্থায় সব বিষয় উপেক্ষা করে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ তথা ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় ওই অবস্থায় সেতুটির নির্মানকাজ পুনরায় শুরু করেন। এরই অংশ হিসাবে গতকাল ব্রীজটি ঢালাই করা হয়। এ ঢালাইয়ের সময় ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল আসাদ (অতিরিক্ত দায়িত্ব), উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাইমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। ব্রীজের ঢালাই অর্ধেক শেষ হবার পরে কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ব্রীজের মাঝের পাটাতনের শাটারিং খুলে গিয়ে ব্রীজটি হেলে পড়ে। পরে নির্মানকাজ বন্ধ রেখে ওই অবস্থায় শাটারিং এর খুটি কোনমতে জোড়াতালি দিয়ে ঢালাই শেষ করা হয়। এর ফলে বর্তমানে ব্রীজটি নিচের দিকে বেকে যায়। যা ঝুকিপুর্ন অবস্থায় রয়েছে। এ ব্যাপারে ওই ব্রীজের কারিগর ফকির শাহ শাটিারিং খুলে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওইভাবে ঠিকঠাক করে পরে ঢালাই দেয়া হয়েছে। এলাকাবাসী কালিপদ, মিষ্টার আলী সহ অনেকেই জানান, ঢালাইয়ের সময় ব্রীজের শাটারিং খুলে ব্রীজটি হেলে পরে। পরে ওই অবস্থায় কোনমতে খুটি সোজা করে ঢালাই শেষ করা হলেও এখনো তা বাকা অবস্থায় রয়েছে তবে ব্রীজের বেসলেটের গর্ত এখনো মাটি দিয়ে ভরাট করা হয় নি। এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা প্রকল্প বস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাইমিনুল ইসলাম ব্রীজ ঢালাইয়ের সময় শাটার খুলে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরে খুটি সোজা করে ঢালাই দেয়া হয়েছে তবে এতে ব্রীজের কোন ক্ষতি হবে না। এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল আসাদ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জানান, শাটারিং খুলে ব্রীজটি ১ ইঞ্চি পরিমান নিচে দেবে গিয়েছে যা আমরা পরে মেরামত করে ফেলব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ