• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডোমার বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের গাছ টেন্ডার ছাড়াই বিক্রি

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরাতন এবং মূল্যবান ১১টি গাছ কোন প্রকার নিয়মনীতি ছাড়াই কেটে ফেলেছে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ। এ ঘটনায় অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জেলার ডোমার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডোমার বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় ১৯১৯ সালে। ৯৮ বছরের এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে রয়েছে সবুজের সমারোহ। বিদ্যালয়ের চার দিকে এবং বাউন্ডারীর ভিতরে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রচুর গাছ। গাছগুলোর মধ্যে পুরাতন বড় ২টি পাখুর, ১টি জাম, ১টি কড়াই গাছসহ স্বল্প বয়সী ১১ টি গাছ ৩২ হাজার টাকায় স্থানীয় এক গাছ ব্যবসায়ীর নিকট বিদ্যালয় কতৃপক্ষ নিয়মনীতি ছাড়াই বিক্রি করে দেয়। গত ২ দিন ধরে গাছ কর্তন করার সময় নজর পড়ে সকলের। অভিযোগ রয়েছে, সকল প্রকার নিয়মনীতি উপেক্ষা করে টেন্ডার ছাড়াই গাছগুলো বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া গাছ বিক্রির ব্যাপারে নিয়ম থাকলেও স্থানীয় বন বিভাগ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কোন প্রকার অনুমতিপত্র নেয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল আলম জানান, গাছগুলো ঝুকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে এছাড়া বিদ্যালয়ের ছাত্রদের বাই সাইকেল ষ্ট্যান্ড তৈরীর জন্য গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। বে সরকারী বিদ্যালয়গুলো এভাবেই চলে। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাকেরিনা বেগম জানায়, গাছ কাটার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। তবে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ বিক্রি করতে হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ একটি কমিটি রয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে রেঞ্জ কর্মকর্তা গাছের মূল্য নির্ধারন করে দেবে। এরপর টেন্ডার হবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিহা সুলতানা জানান, বিদ্যালয়ের গাছ কাটার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ