• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পাকেরহাট কলেজপাড়ায় ভূমিহীণদের বসবাস

সিসি নিউজ: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাট ডিগ্রী কলেজ সরকারীকরণের ঘোষণার তালিকায় নাম উঠেছে। আর এ নিয়ে নানা উৎসব আয়োজনে অন্ত ছিল না। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের একটা স্বপ্ন পূরণ হতে চলছে। কিন্তু কলেজের পেছনে গড়ে উঠা কলেজপাড়ার ভূমিহীণ মানুষেরা এখন আতঙ্কে ভুগছে। কলেজের স্থান সংকুলান পূরণ করতে নাকি প্রয়োজন পড়ছে কলেজপাড়াটি। তাই তাদের আয়ু আর কতদিন?

সূত্র মতে, কেয়ারটেকার সরকারের আমলে খাস জমি হিসেবে পড়ে ছিল কলেজপাড়ার ওই স্থানটি। তৎকালীন খানসামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম আতিকুর রহমান ভূমিদুস্যদের হাত থেকে প্রায় ৩ একর খাস জমি উদ্ধার করে খানসামার ৭৫টি ভূমিহীন পরিবারকে বরাদ্দ দেন। বুঝিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী ২ থেকে ৫ শতক পর্যন্ত জমির দলিলপত্র। বর্তমানে এখানে পরিবারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০টি। এসব পরিবারের ৫ শতাধিক সদস্য বসবাস করছে। যার মধ্যে ৭টি হিন্দু পরিবার রয়েছে। ভূমিহীন এসব মানুষরা আর বসে নেই। তাদের মধ্যে ভ্যানচালক, সিএনজি চালক, রাজমিস্ত্রি, দোকানের কর্মচারী, ভাটা শ্রমিক সবচেয়ে বেশি। বরাদ্দ জমির মধ্যে অসংখ্য গাছপালা লাগিয়ে সুন্দর একটি গ্রামে রুপান্তর হয়েছে। সারি সারি ঘর আর প্রস্তত রাস্তা দেখে এটি একটি আদর্শ গ্রাম মনে হয়।

এ গ্রামের শিশুরা সকলেই লেখাপড়া করছে। তাদের চলাফেরা, পোষাক ও আচার-আচরনে অনেকটা পাল্টিয়েছে। মোট কথা বর্তমান শহুরের পরিবেশ বিরাজ করছে কলেজপাড়ার এই গ্রামটি। কাঁচা বাড়ির পাশাপাশি গড়ে উঠেছে দালানের বাড়ি। বিভিন্ন এনজিও কলেজপাড়ার এসব ভূমিহীনদের ঋণ প্রদান করায় তারা স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। কিন্তু কলেজের কোন কর্মচারী ও শিক্ষক এখানে বসবাস না করলেও নাম হয়েছে কলেজপাড়া।

ওই পাড়ার দিপালী রানী, সালমা বেগম ও লুৎফর রহমান জানান, শুনেছি আমাদেরকে অন্যত্র সরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু আমাদের রয়েছে দলিলপত্র। যা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বসবাস করছি। নিজের জায়গায় অনেক ঘরবাড়ি তুলেছি। লাগিয়েছি ফলজ ও বনজ গাছ। তাই তারা বিষয়টি বিবেচনার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ