• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গৃহবধু হত্যাসহ ২ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ॥ আটক ৩

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী উপজেলা হাকিমপুর ও নবাবগঞ্জে বেড়েই চলেছে নারী হত্যা সহ ২ জন শিক্ষার্থী ধর্ষণের মতো ধর্তব্য অপরাধ। পারিবারিক সহিংস ঘটনা আর বিয়ের প্রলোভনে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে ঘটছে এমন ঘটনা। এতে করে পরিবারের অভিভাবকেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। পুলিশ জানায়, এ ধরণের ঘটনা যারা ঘটনা ঘটানোর সাথে অভিযুক্ত তাদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করতে আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে। এদিকে
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার নয়ানগর গ্রামের এক গৃহবধূকে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হত্যা করা হয়েছে।  হত্যার আগে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই গৃহবধূর পরিবারের লোকজন জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ওই গৃহবধূ রান্নার জ্বালানির জন্য বাড়ির পাশের জঙ্গলে পাতা সংগ্রহ করতে যান। এ সময় পাশ্ববর্তী বিলেরপাড় গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আশরাফুল ইসলামসহ ৩-৪ জন  তাকে ধর্ষণ করে। এতে ওই নারী সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললে ধর্ষণকারীরা জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যায়। ওই জঙ্গলের পাশ দিয়ে গ্রামের লোকজন যাওয়ার সময় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ওই গৃহবধূকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সবুর বলেন, আশরাফুল ইসলামকে (৪৫) আটক করা হয়েছে। এদিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা গ্রামের ৫ বছরের মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষার শিক্ষার্থীকে একই গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র রশিদুল হক বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভনে বাসায় নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় তার মা খালেদা বেগম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় ধর্ষণের চেষ্টা ও অপরাধে মামলা দায়ের করেন। এদিকে একই উপজেলার ভাদুরিয়া ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের আবু তালেব দীর্ঘদিন ধরে ভাদুরিয়া স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করে আসছে। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষার্থীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং অন্যত্র বিবাহ দিতে বাধা সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণ ও পর্ণগ্রাফি আইনে থানায় মামলা দায়ের করে। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেন জানান, ধর্ষণের চেষ্টা ও ধর্ষণের মামলায় প্রধান অভিযক্তদের আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ  করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান জানান, ধর্ষণ ও পর্ণগ্রাফি আইনে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে প্রকৃত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ