নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের অনার্স পড়ুয়া এক কলেজ ছাত্রীর অনশন পঞ্চম দিনের মত চলছে। প্রেমিকার বাড়ীতে আসার পর বাড়ী থেকে পালিয়েছে তার প্রেমিক। এ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল মাঝাপাড়া গ্রামে। রোমিও হলেন ওই এলাকার চন্দ্র কিশোর রায়ের ছেলে ঘনশ্যাম রায়। যে পেশায় একজন প্যারমেডিকেল চিকিৎসক।
জানা যায়, ওই উপজেলার গোলনা কালীগঞ্জ গ্রামের হরিবল্লভ রায়ের মেয়ে জলঢাকা ডিগ্রি কলেজে অর্থনীতি বিভাগে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ুয়া ছাত্রী মিমি রায়ের সাথে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে ঘনশ্যাম রায়ের প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। অনশনরত প্রেমিকার দাবী, এ দীর্ঘ সময়ে তারা একাধিকবার দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছে। সম্প্রতি ঘনশ্যাম রায় সে সম্পর্ক ভেঙ্গে দেয় এবং তাকে অন্যত্র বিয়ে করা জন্য চাপ দিতে থাকে। এতে ওই ছাত্রীটি হতাশ হয়ে পড়ে। এরই জেরে গত ২১শে ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বিয়ের দাবী নিয়ে প্রেমিক ঘনশ্যাম রায়ের বাড়ীতে গিয়ে অনশনে বসে প্রতারিত প্রেমিকা মিমি রায়। এর পরেই প্রেমিক ঘনশ্যাম রায় বাড়ী হতে পালিয়েছে। এ নিয়ে ওই দুইজনের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদ্বয় ও স্থানীয়রা শালিশ মীমাংসার চেষ্টা করলেও কোন সুরাহা হয়নি। যার পরিণতিতে আজ শনিবার পঞ্চম দিনের মত চলছে তার অনশন। অনশনরত মিমি রায় সাংবাদিকদের জানায়, তার প্রেমিক তাকে ধোকা দিয়েছে। সে তাকে বিয়ে না করলে সে আত্বহত্যা করবে, এছাড়া তার কোন উপায় নেই। এ ব্যাপারে ঘনশ্যাম রায়ের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া না যাওয়ায় তার মন্তব্য জানা যায়নি।