এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাঁওতালদের বাড়িঘরে আগুন লাগানোর ঘটনায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্তে সহযোগিতা না করায়, গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
আজ (বৃহস্পতিবার) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির করা প্রতিবেদনটিতে বলা আছে, শনাক্ত করা দু’জনকে ইতোমধ্যে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিন ওই এলাকায় মোট ৮৫ জন পুলিশ ছিল। তাদের মধ্যে ৫৪ জন জেলা পুলিশ, ৪ জন সুন্দরগঞ্জের পুলিশ এবং ১৪ জন স্পেশাল ফোর্স পুলিশ। এদের সবাইকে নানা জায়গায় বদলি করে দেয়া হয়েছে এবং সে সময় গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল ইসলামকে খাগড়াছড়িতে বদলি করা হয়েছে।
গত বছরের ৬ নভেম্বর গোবিন্দগঞ্জের রংপুর চিনিকলের জমিতে আখ কাটাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে সাঁওতালদের সংঘর্ষ হয়। সাঁওতালপল্লীতে আগুন দেয়ার ঘটনাও ঘটে। উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ এলাকায় ওই সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত ও কয়েকজন সাঁওতাল নিহত হন।