• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহত ৪

সিসি নিউজ: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কলেজ রোডে ছায়ানীড় নামের বাড়িতে জঙ্গিবিরোধী অভিযান চলাকালে ‘আত্মঘাতী বিস্ফোরণে’ দুইজন এবং জঙ্গি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে গুলিবিনিময়ের সময় দুইজন নিহত হয়েছেন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চার সদস্য আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে দুই সোয়াত সদস্যকে সিএমএইচ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
অপরদিকে বুধবার বিকেল তিনটার দিকে শুরু হওয়া অভিযান বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০ টার দিকে শেষের ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত চারটি ডেডবডি সেখানে দেখেছি। তাদের দুজনের শরীরে ছিল সুইসাইড ভেস্ট। বিস্ফোরণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। দুজন মারা গেছে পুলিশের গুলিতে।
সারারাত ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে সকাল ছয়টার দিকে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সোয়াত টিম। বিশেষ এ দলের সঙ্গে অভিযানে অংশ নেন চট্টগ্রামের সোয়াত, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্যরা।
উপজেলার আমিরাবাদ গ্রাম ও পৌরসভার চৌধুরীপাড়া এলাকায় বুধবার বিকাল থেকে অভিযানে নামে পুলিশ। এ সময় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম ইত্তেফাককে জানান, আমিরাবাদে কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই দুই জঙ্গি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে। তবে চৌধুরীপাড়ায় পুলিশের সাথে জঙ্গিদের সংঘর্ষ হয়। বারবার আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে এক পর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে জঙ্গিরা গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাড়িটি ঘিরে রেখেছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ মার্চ কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দুই জঙ্গিকে আটক করে পুলিশ। মাহমুদুল হাসান নামে একজনকে নিয়ে ওই রাতেই মিরসরাইয়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২৯টি হাতবোমা, নয়টি চাপাতি, ২৮০ প্যাকেট বিয়ারিংয়ের বল এবং ৪০টি বিস্ফোরক জেল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ