• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডিমলায় শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

সিসি ডেস্ক: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খগা বড়বাড়ী দ্বিমূখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে উপবৃত্তির অর্থ আদায় করছে প্রধান শিক্ষক।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ের এক শত ৮৯জন শিক্ষার্থীর মধ্যে এক শত ১৮জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তির তালিকাভুক্ত। অভিযোগ রয়েছে, উপবৃত্তির টাকা উত্তোলনের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মারুফা বেগম লিজা সকল শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে মোবাইল ফোনের সিম কিনতে বাধ্য করে। সিমের মূল্য বাবদ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে দুই শত দশ টাকা করে নেয়া হয়েছে। ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্টস খোলার জন্য নেয়া হয়েছে কুড়ি টাকা করে। সর্বশেষ মোবাইলে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলনের সময় একাউন্টের পিনকোড জিম্মি করে নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত আরো এক শত টাকা। যারা বাইরে থেকে সিম কিনেছে তাদের উপবৃত্তির টাকা উত্তোলনে সমস্যার সমুখীন হতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে অভিভাবক রফিকুল ইসলাম জানায়, তার মেয়ে পপী সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী। রফিকুল ইসলামের নিজস্ব বিকাশ একাউন্ট রয়েছে। এ কথা জানার পর প্রধান শিক্ষক নতুন করে আঙ্গুলের ছাপ নেয়ার জন্য দুই শত টাকা নেয়।
ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সুরমা রোল নং-১৩, মমতাজ আকতার রোল নং-৮, ফরিদা আকতার রোল নং-১১,নবম শ্রেনীর আসমানী আকতার রোল নং-১০,সপ্তম শ্রেনীর রেখা আকতার রোল নং-২০ এ প্রতিবেদকে জানায়, তাদের বাড়িতে মোবাইল ফোনের সিম থাকলেও আপা জানায়, এখান থেকে সিম কিনতে হবে। ফলে বাধ্য হয়ে আবারো দুই শত ৩০টাকা দিয়ে মোবাইল ফোনের সিম কিনতে হলো। সিমগুলোতে তাদের নামে বিকাশ একাউন্ট খোলা হলেও পিনকোড তাদের দেয়া হয়নি। এখন পিনকোড জিম্মি করে আরো একশত টাকা করে নেয়া হচ্ছে।
তারা বলে, “আমরা আপনাদের কাছে কথাগুলো বলেছি জানতে পারলে আপা আমাদের গালমন্দ করবে।” বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়নি।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মারুফা বেগম লিজা জানান, পিনকোড বাবদ কোনো টাকা নেয়া হয়নি। ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য জরিমানা বাবদ টাকা নেয়া হয়েছে।
ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সুন্দরখাতা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনিছুর রহমান দুলু বলেন, তিনি সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের টাকা প্রদানে বারণ করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আহসান হাবিব বলেন, তিনি যা করেছেন এর কোন বিধান নেই। বিষয়টি আমি দেখবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি আমাকে আগে কেউ জানায়নি। আপনার কাছে জানলাম। ঘটনা সঠিক হলে ব্যবস্থা নেবো।

ইত্তেফাক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ