ঢাকা: ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) চলমান ১৩৬তম সম্মেলনে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলার কৌশল নির্ধারণের জন্য আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুংগং। আইপিইউভুক্ত দেশগুলো সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গিবাদকে কোনোভাবেই সহায়তা করবে না বলেও জানান তিনি।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া সেন্টারে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। শনিবার (১ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া ৫ দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ হবে ৫ এপ্রিল।
আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেল জানান, হতাশা, সামাজিক অসমতা, অবিচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সুযোগের অভাব থেকে সন্ত্রাসবাদ জন্ম নেয়। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলার কৌশলে আমরা এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করবো।
মার্টিন চুংগং বলেন, এই সম্মেলনে যেই কৌশলটা প্রস্তাব করা হবে, সেখানে অনেকগুলো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হবে, যা সন্ত্রাসবাদ সৃষ্টির কারণগুলোকে রুখতে গ্লোবাল পার্লামেন্টারি কমিউনিটিকে সাহায্য করবে।
সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ সকল ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৈষম্য দূর করতে এবং মানবিক মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পার্লামেন্ট কীভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে, খসড়া প্রস্তাবে সে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) ভুক্ত দেশগুলো সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গিবাদকে কোনোভাবেই সহায়তা করবে না। একইসঙ্গে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রুখতে একটি কৌশল নির্ধারণেও আলোচনা চলছে।
এর আগে সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাঁচদিনব্যাপী ১৩৬তম আইপিইউ সম্মেলনের তৃতীয় দিনে ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন পিস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি’ শীর্ষক আলোচনায় এ বিষয়ে মতামত দেন অধিকাংশ দেশের সদস্যরা।
স্ট্যান্ডিং কমিটি অন পিস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির আলোচনায় বাংলাদেশ ডেলিগেশন টিমের প্রধান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মণি।
তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ কার্যক্রমে কোনো দেশই যেন আর্থিক বা জনবল কোনো কিছুতেই সহায়তা না পায় সেগুলো বন্ধ করার বিষয়ে নিজ নিজ দেশের সংসদের কী ভূমিকা হতে পারে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।