সিসি ডেস্ক: অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ঢাকার ধামরাই এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আদিল হোসেন ও আজাদের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে পোল্ট্রি খামারিরা।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের ধামরাই ঢুলিভিটা এলাকায় হাতে হাত ধরে ওই এলাকার কয়েকশ’ পোল্ট্রি খামারি এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন।
মানববন্ধনে পোল্ট্রি খামারিরা বলেন, ধামরাইর সোমবাগ ইউনিয়নের সোনারটেক এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে পোল্ট্রি ব্যবসা করে আসছিলেন ওই এলাকার গাফফার মোল্ল্যা। তার পোল্ট্রি খামারে প্রায় কয়েক হাজার লেয়ার মুরগি আছে। খামারটিতে বিদ্যুৎ ব্যবহার বেশি হয় অভিযোগ তুলে গাফফার মোল্ল্যার কাছে মাসে পাঁচ হাজার করে টাকা উৎকোচ দাবি করেন ধামরাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আদিল হোসেন ও হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ।
কিন্তু গাফফার মোল্ল্যা উৎকোচ দিতে অস্বীকার করলে ওই তিন জনের নেতৃত্বে খামারটির বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেন পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ টাকার লেয়ার মুরগি মরে গেছে।
তারই প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে পল্লী বিদ্যুতের ওই তিন কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানববন্ধন করেছে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা। মানববন্ধন শেষে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। এসময় তারা এঘটনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নজরুল হামিদ বিপুর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ‘পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা বিভিন্ন পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করতে গেলে উৎকোচ চাইতেই পারে। তাতে কি হয়েছে, বিদ্যুতের লাইন তো আমার কাছে। আর টাকা ছাড়া আমি ওই পোল্ট্রি ফার্মে কোনো লাইন সংযোগ দেব না। এতে ওই ব্যবসায়ী আমার কিছুই করতে পারবে না।’
বিবার্তা