ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ছাতকে অগ্নিকান্ড দু’টি দোকানের মালামাল পুড়ে প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪মার্চ) রাতে উপজেলার দোলারবাজার ইউপির মঈনপুরবাজারে এঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাত সাড়ে ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান মঈনপুরবাজারের বাজারের সোয়েব ভেরাইটিজ ষ্টোরের মালিক সোয়েব আহমদ। রাত ১১টার দিকে দোকানে রাত যাপন করতে এসে নিজের দোকানে আগুন জ্বলতে দেখেন। তাৎক্ষণিক মসজিদের মাইকে ঘোষনা দিলে আগুনের বিষয়টি প্রচার করা হলে লোকজন এসে প্রায় ৩ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিযন্ত্রনে আনলেও এসময় পাশের বরিশাল ফার্মেসীতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে দুটি দোকানই মালামালসহ পুড়ে যায়। এতে সোয়েব ভেরাইটিজ ষ্টোরও বরিশাল ফার্মেসীর প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। তবে ঘরে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে এব্যাপারে নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারছেনা। তবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুনের সূত্রপাত বলে ব্যবসায়িরা ধারণা করছেন।
ছাতকে বন্যা দূর্গত হাওর পরিদর্শনে মহাপরিচালক
ছাতকে বন্যা দূর্গত হাওর পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মঞ্জুরুল হান্নান। বুধবার মঙ্গলবার (৫মার্চ) সকালে উপজেলার বিভিন্ন হাওর পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক, সুনামগঞ্জ জেলা উপ-পরিচালক জাহিদুল ইসলাম, ছাতক উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একে বদরুল হক, আরিফ চৌধুরী ও আসিফ হোসাইনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক মঞ্জুরুল হাসান হাওরপাড়ের কৃষকদের সাথে মতবিনিময়কালে তাদের শান্তনার উদ্দেশ্যে সহজ শর্তে কৃষি ঋনসহ সরকারের বিভিন্ন সহায়তার আশ্বাস দেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বুধবার (৫এপ্রিল) বন্যা পরিস্থিতির মরাত্মক অবনতি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। জানা গেছে, উপজেলার ৮৫হাজার কৃষকের ১০হাজার হেক্টর বোর ফসল পানিতে তলিয়ে সাড়ে ৪শ’কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ছাতকে প্রতিপক্ষের হুমকিতে একটি পরিবার বাড়ি ছাড়া
ছাতকে প্রতিপক্ষের মামলাও হামলায় একটি পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে এক আবেদনে এঅভিযোগ করা হয়। গত ২৬ফেব্রুয়ারি জাউয়া ইউপির মনিয়াশের গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার পুত্র আব্দুর রউফ এঅভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, মনিয়াশের গ্রামের প্রভাবশালী মৃত হারিছ আলীর পুত্র আব্দুস সামাদ ও তার বাহিনী মিলে আব্দুর রউফের রেকর্ডিয় ভূমি জবর-দখলের উদ্দেশ্যে নানা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। এতে গত ৩১জানুয়ারি আব্দুস সামাদ তার লোকজন নিয়ে আব্দুর রউফের মালিকানা ভূমিতে জোরপূর্বক মাছ ধরা শুরু করে। এসময় বাঁধা দিলে আব্দুর রউফের বসত ঘরে হামলাও ভাংচুর চালিয়ে মহিলাসহ কয়েকজনকে আহত করা হয়। হামলা শেষে যাবার পথে জখমিদের চিকিৎসাও মামলা করলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করে তারা। এরপর থেকে আব্দুর রউফ পরিবার নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এসূযোগে সামাদ বাহিনী বাড়ি-ঘরের বাঁশ-গাছ অবাধে কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এদিকে গত ৪ফেব্রুয়ারি আব্দুস সামাদের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আমিরুন নেছার মৃত সন্তান প্রসব হয়। এঘটনায় আব্দুর রউফকে আসামি করে থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে এসআই আবু আফসার ভূইয়ার তদন্তে এটি মিথ্যা প্রমানিত হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারনে ঘটনার ২০দিন পরে তার ভাই নূরুল হক বাদি হয়ে আব্দুর রউফসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়। এখন প্রভাবশালী সামাদ বাহিনীর মামলা-হামলাও অত্যাচার-নির্যাতনে তিনি পরিবার নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এব্যাপারে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।