• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চোখের পানিতে ভাসল লাখো মানুষ

সিসি নিউজ: বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এবারও দুই বাংলার মানুষের মিলনমেলা হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে পঞ্চগড়ের অমরখানা কাঁটাতারের সীমান্তের দুই পাশে মিলিত হয় দুই বাংলার লাখো মানুষ। আবেগ আর চোখের পানিতে বর্ষবরণের উৎসব রঙ নেয় ভালোবাসার রঙে।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা সীমান্তের ৭৪৪ মেইন পিলার সংলগ্ন প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অমরখানায় প্রতি বছর পয়লা বৈশাখে মিলন ঘটে ভারত-বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষের। নারী-পুরুষ শিশু-যুবক-যুবতী ও বৃদ্ধের উপচেপড়া ঢল। সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের কঠোর পাহারা এবং কাঁটাতারের বেড়ার বাঁধা উপেক্ষা করে দু’দেশের মানুষের ক্ষণিকের এই মিলন মেলা এলাকার আকাশ বাতাসকে আপ্লুত করে তোলে।

দীর্ঘদিন পর কাছের মানুষদের দেখতে পেয়ে তারা ভুলে যান সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া। বেড়ার ফাঁক দিয়ে একে অন্যের হাত ধরেন, কথা বলেন। বিনিময় করেন নানান উপহার সামগ্রী। কেউ আবার কেঁদে ফেলেন আবেগে। বছর জুড়ে অপেক্ষায় থাকা এসব মানুষ আত্মীয়দের দেখতে পেয়ে বেশ উল্লাসিত। বিজিবি এবং বিএসএফের সহযোগিতায় সন্ধ্যার পূর্ব পর্যন্ত চলে মিলনমেলা।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি-বিএসএফ সদস্যদের হিমশিম খেতে হয়। সকাল ১০টায় বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়ার কাছে আসার অনুমতি দিলে বাঁধভাঙা জোয়ারের মতো উভয় দেশের বিভিন্ন বয়সী মানুষজন প্রবেশ করে। এ সময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল হাজার হাজার বাংলাদেশি নাগরিক। বিজিবি-বিএসএফ যৌথ ভাবে দু‘বাংলার আত্মীয়-স্বজনদের দেখা-সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন।

পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নওশাদ বলেন, প্রতি বছর এই দিনে বাঙালিরা সীমান্তের জিরো লাইনে একত্রিত হয়। ভারতের বিএসএফের সাথে কথা বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগীতায় মানুষদের একটু সুযোগ দেয়া হয়েছে। শান্তি সৃঙ্খলা বজায় রেখে বিকেল চারটা পর্যন্ত একে অপরের সাথে দেখা করার সুযোগ পেয়েছে দুই বাংলার মানুষগুলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ