• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরে বয়লার বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

দিনাজপুর: দিনাজপুরে যমুনা অটোরাইস মিলে বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় রবিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে দুলাল চন্দ্র রায় নামে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই মিলের ব্যবস্থাপক রঞ্জিত বসাক (৫০) ও রবিবার দুপুর ১টার দিকে শ্রমিক দেলোয়ার হোসেন (৩০) মারা মারা যান। এদের দুইজনকে শুক্রবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল।

এ ছাড়া রবিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিকুল ইসলাম ও উদয় কুমার নামে আরও দুই শ্রমিকের মুত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান মারুফুল ইসলাম।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানা গেছে, বিস্ফোরণের এ ঘটনায় আহত শ্রমিক রঞ্জনা রায় (৪০) ও মোকসেদ আলী (৪৮) ঘটনার দিনই (গত বুধবার) মারা যান। এ ছাড়া আরিফুল ইসলাম (৩০) বৃহস্পতিবার ও রুস্তম আলী (৪৫) শুক্রবারে মারা যান।

বুধবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দিনাজপুর সদর উপজেলার গোপালগঞ্জ শেখহাটি এলাকায় সুবল ঘোষের মালিকানাধীন যমুনা অটোরাইস মিলে বয়লার বিস্ফোরণ ঘটলে ৩০ জন দগ্ধ হন। দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে দগ্ধ ৩০ জনকে উদ্ধার করে দিনাজপুরের এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক ২১ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

রংপুর মেডিকেলের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান মারুফুল ইসলাম জানিয়েছেন, দগ্ধ প্রতিটি রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই মুহূর্তে তাদের শঙ্কামুক্ত বলা যাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ