• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ইসির সার্ভার থেকে দশ লাখ ভোটারের তথ্য লাপাত্তা

ঢাকা: নির্বাচন কমিশনের সার্ভার (ডটাবেজ) থেকে ১ শতাংশ অর্থাৎ দশ লাখ ভোটারের তথ্য লাপাত্তা হয়ে গেছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের তথ্য খুঁজতে গেলে বা যাচাই করতে গেলে এগুলোর বিপরীতে নট ফাউন্ড দেখায়। ভোটারের বিষয়ে কোন তথ্য দিতে পারছেন না নির্বাচনী কর্মকর্তারা। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবহার ও স্মার্ট কার্ড নিতে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে ভোটারদের। সম্প্রত ইসির এক নিজস্ব প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে ভোটার ১০ কোটি ১৭ লাখ। ১ শতাংশ ভোটারের তথ্য ইসির সার্ভারে না পাওয়া গেলে ১০ লাখ ১৭ হাজার ভোটার অনিশ্চয়তায় পড়বে। এসব নাগরিকের তথ্য সার্ভারে না থাকায় স্মার্টকার্ড থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোটার নিবন্ধন করে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার আগে ইসির সার্ভারে ভোটারদের তথ্য আপলোড করা হয়। কিন্তু এসব ভোটরদের তথ্য কোথায়? কি কারণে তাদের তথ্য পাওয়া যাচ্ছেনা- এসব বিষয়ে কমিশনকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এটি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। হ্যাকের মধ্যেমে কোন তথ্য চুরি হলো কিনা তাও খতিয়ে দেখতে হবে।

এসব বিষয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অণুবিভাগের (এনআইডি উইং) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, আমার কাছে অভিযোগ আছে স্মর্টকার্ড বিতরণে গিয়ে অনেক ভোটারের তথ্য সার্ভারে না পেয়ে ফেরত দিয়েছেন ইসির

কর্মকর্তারা। কেন ভোটারদের তথ্য সার্ভারে পাওয়া যাচ্ছেনা এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর দ্রুত সমাধান হবে। যেসকল ভোটার স্মার্ট কার্ড নিতে এসে ফেরত গিয়েছেন তাদের জন্য অবারো সংশ্লিষ্ট এলাকায় নতুন করে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে।

এনআইডির মহাপরিচালক জানান, তথ্যের সঠিকতা ও ব্যবহারযোগ্যতায় দেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে নির্ভরযোগ্য, গ্রহণযোগ্য এবং উদাহরণ সৃষ্টিকারী নির্বাচন কমিশনের এই তথ্যভাণ্ডার। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভবিষ্যতে নাগরিকদের স্মার্টকার্ড ‘ট্রাভেলডকুমেন্ট’সহ নানাবিধ কাজে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে বলে বলেও জানান তিনি।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ও হারানো বা নষ্ট হওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র প্রতিস্থাপনে সেবা দেওয়ার জন্য ফি আদায় করা হচ্ছে ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে। জাতীয় পরিচিতি যাচাই সেবা নিতে নির্ধারিত ফি দিয়ে সর্বশেষ ৭৪টি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে চুক্তি করছে। চলতি বছরের ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থা মোট ২৪ কোটি ২৭ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৬ বার ইসির তথ্যভাণ্ডার থেকে পরিচিতি যাচাই করেছে ।

২০০৭-২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটারদের তালিকা প্রণয়নে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়। সর্বশেষ দেশের ১০ কোটি ১৭ লাখ নাগরিক ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ