• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

যশোরে নৈশপ্রহরী হত্যা মামলায় ৬ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

যশোর: যশোরের কেশবপুরের করাতকলের নৈশপ্রহরী আবু বকর (৭০) হত্যা মামলায় ছয় আসামির আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানার দণ্ড দেন বিচারক। আজ মঙ্গলবার যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা জজ) আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ রায় প্রদান করেন বলে জানান আদালতের পিপি এসএম বদরুজ্জামান পলাশ।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, যশোরের কেশবপুর উপজেলার চাঁদড়া গ্রামের জোহর আলী ওরফে বাবু ওরফে ট্যারা খোকন, একই উপজেলার কোমলপুর গ্রামের ইসাহক আলী, সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের শামিম, মধ্যকচুয়া গ্রামের আবদুর রউফ মোল্যা, মণিরামপুর উপজেলার ঘুঘুরাইল গ্রামের মোজাম আলী ও রত্নেশ্বরপুর গ্রামের রেজাউল ওরফে শাহাজান। দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০০ সালের ১২ মার্চ রাতে মণিরামপুর উপজেলার বেগারীতলা বাজারের একটি করাতকলের মধ্যে নৈশপ্রহরী আবু বকরকে গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে এবং মুখের ভেতর গামছা ঢুকিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে আসামিরা। এরপর তাকে মিল এলাকা থেকে প্রায় দেড়শ গজ দূরে একটি মাঠের ভেতর ফেলে রাখে। এ ঘটনায় করাতকল মালিক মণিরামপুর উপজেলার টুনিয়াঘরা গ্রামের আবদুস সামাদ বাদী হয়ে ১৩ মার্চ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মণিরামপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
এ ঘটনায় করাতকল মালিক মণিরামপুর উপজেলার টুনিয়াঘরা গ্রামের আবদুস সামাদ বাদী হয়ে ১৩ মার্চ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মণিরামপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ভোরে অজ্ঞাত চোরেরা তার সমিলের একটি কক্ষ ভেঙে সেখান থেকে দুটি বৈদ্যুতিক মোটর চুরি করে নিয়ে যায়। নৈশপ্রহরী তারই গ্রামের আবু বকর সম্ভবত চোরদের চিনে ফেলায় তাকে খুন করে মাঠে ফেলে রাখে চোরেরা। তদন্ত শেষে মণিরামপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম একই বছর বিভিন্ন সময়ে আটক সাতজনের মধ্যে হাবিবুর রহমানকে অব্যাহতি চেয়ে এবং ছয় জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই বছরের ২৩ আগস্ট চার্জশিটটি আদালত গ্রহণ করেন।
মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক ছয় জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড (আমৃত্যু) এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা জামিনে মুক্ত হয়ে সবাই পলাতক রয়েছে।
আদালতের পিপি এসএম বদরুজ্জামান পলাশ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিচারকাজ সঠিকভাবে পরিচালিত হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ছয় জনকে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ