• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুর উপ-নির্বাচন: প্রার্থীকে দেখেননি হাঁড়িপাড়ার ভোটাররা

সিসি নিউজ: আর মাত্র ৯দিন পরই অনুষ্ঠিত হবে সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহন। চেয়ারম্যান পদের ওই নির্বাচনে ৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। প্রার্থীদের মধ্যে আ’লীগ, বিএনপি, জাতীয় পাটি, ইসলামী আন্দোলনের পাশাপাশি জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীও রয়েছেন। সব প্রার্থীদের বিশাল কর্মী বাহিনী দু’সপ্তাহ ধরে কাজ করছে দিনরাত। নির্বাচন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গ্রামে গ্রামে চলছে উঠান বৈঠক, হাটে-বাজারে পথসভা আর শহরের মহল্লার প্রতিটি বাসা-বাড়িতে কর্মীদের উপস্থিতি, মোড়ে মোড়ে চলছে পথসভা। পোস্টারে পোস্টারে ছেঁয়ে গেছে সব রাস্তাঘাট। কিন্তু এ উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম হাঁড়িপাড়া। পাড়াটির অবস্থান বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর-মুচিরহাট সড়কের পাশেই। এখানে ভোটার রয়েছে একশ’র বেশি। সে গ্রামের মানুষেরা এখনও দেখেনি তাদের প্রার্থীদের। গ্রামের কোথাও একখানা পোস্টার নেই। প্রতীকের নাম জানলেও জানেননা প্রার্থীদের নাম। আর প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কিংবা তাদের সম্পর্কে ধারণা একেবারেই নেই। তবুও তারা ভোট দেবে! শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই গ্রামে গিয়ে এমন তথ্য মিলেছে।

ভোট কবে অনুষ্ঠিত হবে এমন প্রশ্নের উত্তর জানেন না জানিয়ে ওই গ্রামের রমেশ চন্দ্র, ভাদু বালা ও জোসনা রানী সিসি নিউজকে জানান, রাস্তায় রাস্তায় মাইকিং শুনে মার্কার নাম জেনেছি কিন্তু কত তারিখে ভোট হবে? আর প্রার্থীর নাম কি? আমরা তা জানিনা। তবে তারা হাসিনার নৌকা, খালেদার ধানের শীষ ও এরশাদের লাঙ্গল এটা তারা জানে। আর এটুকু জ্ঞান নিয়ে তারা ভোট প্রদান করে থাকে বরাবরেই।

গ্রামের বাসিন্দারা জানান, মূল রাস্তার সাথে গ্রামের সংযোগ রাস্তাটি প্রসস্ত করার প্রতিশ্রুতি পূর্ববর্তী উপজেলা চেয়ারম্যান দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো কাজটি হতো কিন্তু বর্তমানে যারা প্রার্থী হয়েছেন তারা আমাদের সাথে এখনও সৌজন্য সাক্ষাত না করায় ওই প্রতিশ্রুতির কথা বলতে পারছি না। উপরন্ত আমরা নিজেদেরকে অবহেলিত মনে করছি।

এ প্রসঙ্গ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর শহরের বিশিষ্ট চিকিৎসক শেখ নজরুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, প্রার্থীরা যেতে না পারলেও প্রার্থীর কর্মীরা এখনও এরকম একটি গ্রামে যায়নি শুনে অবাক লাগছে। আমি মনে করি স্ব স্ব প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী মনিটরিং করার দায়িত্ব যারা রয়েছেন তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ