রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগের ৫৬ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে বৃত্তি দিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন। শনিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তিপ্রাপ্তদের হাতে চেক তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশন।
অনুষ্ঠানে এমপি ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আদর্শের। দুই দেশের আদর্শ এক। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনারা মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন। তাদের অবদান কোনো দিন ভোলার নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের ভারতের বৃত্তি প্রদান দুই দেশের একাত্মতার প্রতীক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রাজশাহী মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ডা. আবদুল মান্নান, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি ও কবিকুঞ্জের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন প্রামানিক। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অভিজিৎ চট্টপাধ্যায়।
তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো জোরদার করতে ২০০৬ সাল থেকে এই বৃত্তি চালু হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা স্কলারশিপ স্কিমের তহবিলে ১৫ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবছর দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও উত্তরাধিকারদের বৃত্তি দিচ্ছে ভারত সরকার। এই বৃত্তি চলমান থাকবে।
বৃত্তি পেতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা নির্ধারিত ফরমে আবেদন করেছিলেন। স্নাতক দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করেন। যেসব মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকার কম, যাচাই-বাছাই শেষে এমন পরিবারের ৫৬ শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেয়া হলো।