ঢাকা: আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের দেশে-বিদেশে অবস্থিত সকল ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের হিসেব চেয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান এ নির্দেশনা জারি করেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠান বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের লেনদেন স্বচ্ছ নয়। তার একাধিক অপরাধের বিষয়ে আমরা আগে থেকেই তদন্ত করছি। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লেনদেনের হিসাব নিয়ে তিনি স্মাগলিং কিংবা মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত কিনা এগুলো খুঁজে দেখা হবে। ’
ড. মঈনুল আরও বলেন, ‘আমাদের তদন্তে যদি দিলদার আহমেদের কোনো অনিয়ম ধরা পড়ে তবে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ’
উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে সাফাত আহমেদ নামে এক বন্ধুর জন্মদিনে যোগ দিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন দুই তরুণী। ওই ঘটনায় ৪০ দিন পর শনিবার সন্ধ্যায় বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।
মামলায় আসামি করা হয়েছে- সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, বিল্লাহ হোসেন ও অজ্ঞাতনামা একজনকে। আসামিদের কেউ এখনও গ্রেফতার হয়নি।
তবে এ ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত সাফাত আহমেদের বাবা ও আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের দাবি, তার ছেলের সঙ্গে পূর্বশত্রুতার জের ধরে এমন কাজ করেছেন তার সাবেক স্ত্রী।