রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রাজারহাটে নতুন আবেদনকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগে বুধবার বাদপড়া মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্বে সোনালী ব্যাংক চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, ঢাকা চেয়ারম্যান বরাবরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল ইসলামের মাধ্যমে স্মারকলিপি পেশ করেছেন। মো. আবুল কাশেম মোল্লার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন-গোলাম সরওয়ার, শ্রী জিতেন্দ্র নাথ রায়, মো. দৌলত হোসেন ব্যাপারী, মোবারক আলী ব্যাপারী, বাবুল হোসেন, আ. লতিফ মাষ্টার প্রমূখ। তালিকায় বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম মোল্লা বলেন, যাচাই-বাছাই কমিটির বোর্ডে যথাযথ স্বাক্ষ্য প্রমাণ অনুসরণ করা হয়নি। পাশাপাশি নির্বাচিত বোর্ডের সদস্য বর্তমান উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. রজব আলী, আহাম্মদ আলী (ভূয়া যুদ্ধাহত) মুক্তিযোদ্ধাসহ কতিপয় সদস্য মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ করে প্রকৃতদের বাদ দিয়ে ভূয়া নাম অন্তর্ভূক্ত করেছে। আর আমরা বাদপড়া অনেকেরই যথাযথ স্বাক্ষ্য প্রমাণ থাকা সত্বেও ওই বোর্ডে তালিকাভুক্তি করা হয়নি। এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম এলাকার বাইরে অবস্থান করায় তার মতামত জানা যায়নি। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও যাচাই-বাছাই কমিটির অন্যতম সদস্য মো. রজব আলী বলেন, অনিয়মের প্রশ্নই উঠে না, যারা বাদ পড়েছে তাদের কোন সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, গত ১৫-০৫-২০১৭ ইং বিকেলে রাজারহাট উপজেলা পরিষদের মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির ফলাফল টাঙ্গানো হয়। ফলাফলে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।