• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দিনে পিএইচডি, রাতে পরোটা বেচেন স্নেহা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যেভাবেই হোক শেষ করতে হবে পিএইচডি’র পড়াশোনা। আর তাই সকালে পড়াশোনা করে রাতে স্বামীর সঙ্গে পরোটা বিক্রি করেন ভারতের মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা স্নেহা লিম্বগাওমকর।

প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠে শুরু করেন পড়াশোনা। দুপুর গড়িয়ে এলে বইপত্র ছেড়ে লেগে পড়েন ময়দা মাখা, তরকারি কাটা ও মশলা বাটার কাজে। সন্ধ্যা নামলেই কেরালার কারিয়াভাত্তোমে টেকনোপার্কের কাছেই রাস্তার ওপর স্বামী প্রেমশঙ্কর মাণ্ডালের অস্থায়ী খাবারের দোকানে পৌঁছে যান স্নেহা। অনেক রাত পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রী মিলে লেগে থাকেন ওমলেট, পরোটা, দোসা তৈরিতে। বাড়ি ফিরে ফের শুরু করেন পড়াশোনা।

জানা যায়, সামিাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অরকুটে প্রথম আলাপ। সেখানে থেকেই প্রেম। কিন্ত বাধ সাধেন স্নেহার বাবা-মা। পছন্দ নয় পাত্র। বাড়ি থেকে পালিয়ে ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করেন স্নেহা। কিন্তু পড়াশোনাটা কোনোভাবেই ছাড়তে চাননি। ডক্টরাল রিসার্চ ফেলোশিপ নিয়ে চলে যান কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে। তখন ক্যাগে (সিএজি) চাকরি করতেন প্রেমশঙ্কর। এ অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে দিল্লির সেই কাজ ছেড়ে চলে আসেন প্রেমশঙ্কর।

কিন্তু স্নেহার স্কলারশিপের টাকায় পড়াশোনা এবং সংসার চালানো দায়। এ অবস্থায় স্বামী-স্ত্রী দু’জনে মিলে শুরু করেন এই ছোট ব্যবসা। এখন তাদের লক্ষ্য পিএইচডি শেষ করে জার্মানি পাড়ি দেয়া। ভবিষ্যতে নিজের রেস্তোরাঁ খোলারও স্বপ্ন দেখেন এ দম্পতি।

প্রতিদিন সন্ধ্যার মধ্যে পড়াশোনা শেষ করে দু’জনে মিলে চালান পরোটার দোকান। অল্পদিনের মধ্যে স্নেহা-প্রেমশঙ্করের ছোট খাবারের দোকানটি রীতিমতো হিট। তাদের দোকানের একজন ক্রেতা স্নেহা-প্রেমশঙ্করের এই কাহিনি ফেসবুকে পোস্ট করেন। তারপর থেকে তাদের কঠিন লড়াই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ