• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মোরা’ হলো যেভাবে

সিসি ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার পর রবিবার সকালে তা নিম্নচাপে এবং মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাগর তীরের আট দেশের আবহাওয়া দপ্তর ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেলের তালিকা অনুযায়ী তখন এর নাম দেয়া হয় ‘মোরা’ (MORA)। এর ইংরেজি অর্থ হচ্ছে- ‘স্টার অব দ্য সি’। বাংলা করলে শব্দটির অর্থ ‘সাগরের নক্ষত্র’ বা ‘সাগরের তারা’। নামটি প্রস্তাব করেছিল থাইল্যান্ড। নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর ১৮ ঘণ্টায় ২৮৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয় মোরা; এরপর সেটি পরিণত হয় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে।

এর আগে গত ১৫ এপ্রিল সকালে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং পরদিন তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। সেটির নাম ছিল ‘মারুথা’। পরে সেটি দক্ষিণপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করে।

গ্রীস্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে অহরহ ঘূর্ণিঝড় হয়। তথ্য সংরক্ষণ ও বোঝানোর সুবিধার জন্য আগে থেকেই এসব ঝড়ের নাম ঠিক করে রাখা হয়।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, অতীতে ঝড়ের নামকরণ করা হতো অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশের ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু এটি প্রকাশের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়। যেমন- ‘১৮.৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১.৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশের ঝড়টি এখন বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে’ -এটি বলার চেয়ে ’ঘূর্ণিঝড় মোরা ধেয়ে আসছে’ বলা অনেক সহজ।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক কমিটি ‘এস্কেপ’ ঘূর্ণিঝড়ের এ নামকরণ করে। ‘এস্কেপ’ এর ৮ সদস্য রাষ্ট্র হচ্ছে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড এবং ওমান। কোনো ঝড়ের গতিবেগ যদি ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার বা বেশি হয় তবেই তার নাম দেয় ‘এস্কেপ’। ‘মোরা’ এর পর যে ঘূর্ণিঝড়গুলো পর্যায়ক্রমে আসবে সেগুলোর নাম হচ্ছে ওচি, সাগর, ম্যাকুনু ও ডায়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ