
নীলফামারী সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আর্থিক সহযোগীতা করা হয়েছে অনিশ্চয়তায় পড়া দরিদ্র এসএসসি উত্তীর্ণ মেধাবী ছাত্রী লিমানা খন্দকার লাবণ্যকে।
নীলফামারীতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রাহীম লাবণ্যের এইচএসসিতে পড়াশোনাকালীন সকল খরচ বহনও করার ঘোষণা দিয়েছেন ।
সোমবার বিকেলে(২৯মে) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে (ডিসি অফিসে) সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের উদ্যোগে নগদ ছয় হাজার টাকা তার কাছে তুলে দেন নবাগত জেলা প্রশাসক। সে সময় লিমানা খন্দকার লাবণ্য’র বাবা লোটন খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
নীলফামারী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারে (২০১৭) এসএসসি মানবিক বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-পাঁচ পেয়ে উত্তীর্ণ হয় দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্রী লাবণ্য।
জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের পুরাতন রেলস্টেশন গ্রামের লোটন খন্দকার একটি কোম্পানীর পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে এবং মা বাড়িতে সেলাই’র কাজ করে কোন রকমে চারজনের সংসার চালাতেন। অভাবের সংসারে নিজেও সেলাই’র কাজে যুক্ত থেকে উপার্জিত টাকা দিয়ে লেখাপড়ার খরচ চালাতো মেয়েটি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শেখ মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, দরিদ্র মেধাবী মেয়েটির খবর জানতে পেরে তাকে সহযোগীতা করার উদ্যোগ গ্রহণ করি। প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে ছয় হাজার টাকা দেয়া হয়েছে।
এদিকে এইচএসসিতে ভর্তি থেকে শুরু করে পড়াশোনার যাবতীয় খরচ বহন করাসহ তাকে একটি সাইকেল কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রাহীম।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) জানান, অনেক টাকা আমরা বিভিন্ন ভাবে খরচ করে ফেলি। দরিদ্র মেধাবীদের পাশে এগিয়ে দরকার। যাতে করে ভবিষ্যতে মানুষ হতে পারে তারা। মেয়েটির পাশে থাকবো আমি।