• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বাগেরহাটের ১৩ জনের অভিযোগ আমলে নিল ট্র্যাইব্যুনাল

ঢাকা : একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত বাগেরহাটের খান আশরাফসহ ১৩ আসামীর অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনাল।

বুধবার (৩১ মে) বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন মুন্নি। অপরদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এমএইচ তামিম।

মামলার আসামিরা হলেন- বাগেরহাটের খাঁন আশরাফ আলী (৬৫), খাঁন আকরাম হোসেন (৬০), সূলতান আলী খাঁন (৬৮), রুস্তম আলী মোল্লা (৭০), ইদ্রিস আলী মোল্লা (৬৪), মকছেদ আলী দিদার (৮৩), শেখ উকিল উদ্দিন (৬২), শেখ ইদ্রিস আলী (৬১), শেখ রফিকুল ইসলাম ওরফে বাবুল (৬৪), মনিরুজ্জামান হাওলাদার (৬৯), হাশেম আলী শেখ (৭৯), আজাহার আলী শিকদার (৬৪), মকবুল মোল্লা (৭৯), আব্দুল আলী মোল্লা (৬৫)।

আসামিদের মধ্যে আজহার আলী শিকদার বিএনপি সমর্থক। বাকি সবাই জামায়াতের সমর্থক।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে একই বছর ২৬ খাঁন আকরাম হোসেন, ইদ্রিস আলী মোল্লা, শেখ মো. উকিল উদ্দিন এবং মকবুল মোল্লা গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। বাকিরা পলাতক।

গত ২৮ মার্চ আসামীদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার বরাবর সাত অপরাধে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) দাখিল করা হয়।

এর আগে ২০১৫ সালের ৪ জুন তদন্ত শুরু গত ২২ জানুয়ারি আসামীদের বিরুদ্ধে ৫৭ জন মূল ও ৩ জন জব্দ তালিকার সাক্ষীর জবানবন্দি নিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তদন্ত সংস্থা। ওই দিনই আসামিদের বিরুদ্ধে ৭টি অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের ৪৫ তম তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে তা প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেওয়া হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট জেলার কচুয়া ও মোড়লগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করা, ধর্ষণ ও হত্যার মতো ৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে। অপরাধ তদন্ত করেন তদন্ত সংস্থার সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ