• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দিনাজপুরে অস্ত্র মামলায় সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী

বিশেষ প্রতিনিধি: দিনাজপুরে চাঞ্চল্যকর শীর্ষ ২ জঙ্গির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অস্ত্র মামলায় ৫ জন সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য হাজির হতে বিচারক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছেন। ওই মামলায় ২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৯ জুলাই মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহনের দিন ধার্য রয়েছে। দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ হোসেন শহীদ আহমদের আদালতে এই চাঞ্চল্যকর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল মঙ্গলবার বিকেলে। মামলার আসামি শীর্ষ ২ জঙ্গি জেএমবির এহসার সদস্য গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম ওরফে ড্যানিস ওরফে জিৎ (২৮) ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার বানভাষা গ্রামের শামসুল আলম খন্দকারের ছেলে মোসাব্বিরুল আলম খন্দকারকে (৩০) দুপুরে কড়া পুলিশ প্রহরায় জেল কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। ২ আসামির উপস্থিতিতে মামলার অভিযোগপত্রের ৪ ও ৫নং সাক্ষী বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া গুচ্ছ গ্রামের আহমেদ হোসেন (৩০) ও রফিকুল ইসলাম (৩৫) আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। এই নিয়ে মোট ৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল। আসামি মোসাব্বিরুল আলম খন্দকারের পক্ষে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান চৌধুরী আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক জামিন নামঞ্জুর করেন।আগামী ১৯ জুলাই পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করে ৫ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য হাজির করতে গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দেন। সাক্ষীরা হলেন- এই চাঞ্চল্যকর মামলার এজাহারকারী এসআই শাহাদত হোসেন, অভিযোগপত্রের তালিকাভুক্ত সাক্ষী বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া গুচ্ছ গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোশাররফ হোসেন ও রফিকুল ইসলাম এবং একই উপজেলার প্রাণনগর গ্রামের মফিদুল হকের ছেলে ইমদাদুল হক ও রইস উদ্দীনের ছেলে মহিরউদ্দীন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১১ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া গুচ্ছগ্রামে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে একে ৪৬ রাইফেল ও গুলিসহ অতর্কিত হামলা চালানোর সময় জনতা ধাওয়া করে ৪২ রাউন্ড গুলি ও ইউএসএ তৈরী একে ৪৬ রাইফেলসহ শীর্ষ জেএমবির এহসার সদস্য মোসাব্বিরুল আলম খন্দকারকে (২৮) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তার সহযোগী জেএমবির সদস্য শরিফুল ইসলামকে (৩০) এই ঘটনার আগের দিন ১০ ডিসেম্বর রাতে কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ ইসকন মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের কীর্তন চলাকালীন সময়ে বোমা বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণকালে জনতা অস্ত্রসহ আটক করে।এই ২ শীর্ষ জঙ্গির বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১১ ডিসেম্বর বীরগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে। মামলাটি ডিবি পুলিশ তদন্তকালে আটক ২ জেএমবি সদস্য ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। এই মামলায় পুলিশ ২ জঙ্গির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করলে মামলাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচার কাজ শুরু হয়। এই ২ জেএমবি সদস্যের বিরুদ্ধে দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় প্রায় ২৪টি মামলা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ