• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

উত্তরাঞ্চলে ভেজাল ও নিম্নমানের খেজুরে সয়লাব

এম আর মহসিন।। উত্তরাঞ্চলের প্রায় কয়েক কোটি রোজাদারিকে টার্গেট করে সৈয়দপুরের ফল ব্যাবসায়িরা অতিরিক্ত লাভের আশায় নিম্ন ও কেমিক্যাল মিশ্রিত খেজুর আমদানি পর দেশের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করছে। এতে মনিটরিং ব্যাবস্থা না থাকায় হুমকির মুখে পড়েছে রোজাদারি মানুষদের স্বাস্থ্য। তাই দ্রুত এ নি¤œমানের খেজুর বাজারজাত বন্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
জানা যায়,এ শহরের হাতিখানা এলাকা প্রবেশ পথে রেল লাইন ধারে বিশাল একটি ফল বাজার। এ বাজারের বিছমিল্লাহ ফল ভান্ডার ও বিক্রমপুর ফল ভান্ডার নিয়ন্ত্রন করে গোটা উত্তরাঞ্চল। খেজুর হতে শুরু করে যে কোন দেশি-বিদেশী কিংবা মৌসুমি ফল যা সারা বছর চলে। সব প্রকারেই আমদানির পর বাজার জাত করে এ দুই ফল ভান্ডার। তবে রমজান মাসকে তারা অধিক মুনাফার হিসেবে টার্গেট করে। কারন এ মাসে মুসলমানেরা ইফতার সামগ্রীতে অবশ্যই খেজুর রাখে। এতে স্থানিয় ভাবেই শুধু এ আরৎ হতে প্রতি বছর ৫০ হাজার বস্তা খেজুর বিভিন্ন বাজারে যায়। তবে কারো মোকামেই সংরক্ষন ব্যাবস্তা নেই। এগুলো যেনতেন ভাবে মোকামে মাটির ওপর রেখে বিক্রি করছে। আর বাহিরের বাজার গুলোতে সরাসরি ট্রাকে এসব সরবরাহ করছেন। ঠাকুরগা, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রংপুর, জয়পুরহাটসহ গোটা উত্তরের জনপদে প্রায় ৫থেকে ৬লাখ বস্তা খেজুর এ মাসেই সরবরাহ করা হয় বলে জানা গেছে।
সোমবার এ দুটি আরৎ ঘুরে দেখা যায়, মোকামের মাটিতে গাদাদি করে রাখা।যাদের গায়ে কোন মেয়াদত্তীর্ন তারিখ নেই। দলা-দলা, চকচকে অনেকটা গুড়ের মিশ্রনযুক্ত। টাইগার,স্টার বা ভিন্ন নামে বাজার জাত হচ্ছে বলে জানা যায়। আনিস নামে এক ফল ব্যাবসায়ি বলেন, এগুলো ইরান, দুবাই, ভারত হতে পানিপথে চট্রগ্রাম বন্দরে আসে। তবে শহরের মদিনা মোড়ের মুরাদ নামে ফল ব্যবসায়ি জানান, আমি এগুলো উঠাই না। এতে মানুষের চরম ক্ষতি হয়। কারন ইরান ও ভারতের খোলা খেজুরগুলো বস্তায় ভরার আগেই গুড় ও ফরমালিন শেশা থাকে। তাই দীর্ঘদিন রাখলেও এসব খোলা খেজুর নষ্ট হয় না। আর কখনো যদি ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালায় অবশ্যই জরিমানা হবে।
তিনি আরো বলেন, ফল মার্কিটে কোন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আসেন না। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ফল ব্যবসায়িরা এ নিম্নমানের খেজুর প্রতি রমজানে বাজার জাত করেন। অন্যন্য ব্যাবসায়িরা বলেন, এঁটা গরিবের সাধ্যর মধ্য। তাই এর চাহিদা বেশি। তারা আরো বলেন, উন্নত পাকেটিংয়ে ডাবাস, লুলু, মদিনাসহ নানা নামে সংরক্ষিত খেজুর বাজারে আসছে। তবে সেগুলোর দাম অনেক। সকল ব্যাবসায়ি এ ভেজাল খেজুরের কথা স্বিকার করলেও আমদানি কারক বাদমা ফল ভান্ডারের পরিচালক বাদশা এ ভেজাল খেজুর আমদানির কথা অস্বিকার করেন।
সৈয়দপুর উপজেলার ওয়াকার্স পাটির সাধারন সম্পাদক রুহুল আলম মাষ্টার ফরমালিনে ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে গত ৩১ মে সৈয়দপুর পৌরসভার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, এ বিষ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে মানুষ নানা মরনব্যাধিতে আক্রান্ত হবে। তাই কেমিক্যাল মিশ্রন যুক্ত ফলমুলের বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযানসহ ভেজাল রোধে সৈয়দপুর পৌর-কতৃপক্ষের কাছে মনিটরিং দল গঠনের এর দাবি জানান তিনি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ