সিসি ডেস্ক: নীলফামারীর সৈয়দপুরে হতদরিদ্রদের মাটি কাটার টাকায় আওয়ামী লীগের এক নেতা ভাগ বসিয়েছেন। গতকাল রোববার দুপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২২ জন হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে তিনি ১২৫ টাকা করে আদায় করেন।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেকের ১৭৫ টাকা দিন হাজিরা হিসেবে ২১ দিনের মোট ৩ হাজার ৬৭৫ টাকা পাওয়ার কথা। সৈয়দপুর জনতা ব্যাংক শাখা থেকে তাঁদের সেই টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু মাটি কাটা কর্মসূচির সর্দার ও ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুকুল জোর করে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১২৫ টাকা করে আদায় করেন।
আফরোজা নামের এক নারী বলেন, ‘আমরা জনতা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে নিচে নামার সময় সর্দার মুকুল আমার কাছ থেকে ১২৫ টাকা নেন। আমি দিতে না চাইলে মাটি কাটার কাজ থেকে আমার নাম বাদ দেওয়ার হুমকি দেন।’
হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করে মুকুল বলেন, ‘আমি বই যত্ন করে রাখি এবং ব্যাংকে দৌড়াদৌড়ি করি। এ কারণে ১২৫ টাকা করে নিয়েছি।’
কামারপুকুর ইউপির চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, ‘সর্দার মুকুল গরিব মানুষদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। তাঁর বিরুদ্ধে (পিআইও) অফিসে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে।’
উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মোফাখ্খারুল ইসলাম বলেন, ‘সর্দার ১২৫ টাকা করে নিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ অবৈধ। তিনি কোনো টাকা নিতে পারেন না। তাঁর বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।’
প্রথম আলো